27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানের বাড়িতে পৌঁছেছেন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানের বাড়িতে পৌঁছেছেন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশান, ঢাকা‑এর গুলশান অ্যাভিনিউ ১৯৬ নম্বর বাড়িতে আজ সন্ধ্যা ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে পৌঁছেছেন। তিনি গাড়ি থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন। গুলশান অ্যাভিনিউ ১৯৬ নম্বর বাড়ি বিশেষভাবে তারেক রহমানের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল, যেখানে তিনি কয়েক দিন থেকে অবস্থান করবেন।

এই বাড়িটি বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের বাসভবন ‘ফিরোজা’র পাশে অবস্থিত, যা পার্টির উচ্চপদস্থ নেতাদের ঘনিষ্ঠতা নির্দেশ করে। বাড়ির প্রস্তুতি পূর্বে থেকেই সম্পন্ন ছিল, ফলে তারেক রহমানের গন্তব্যে কোনো বিলম্ব হয়নি।

তারেক রহমানের গুলশানে পৌঁছানোর আগে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বের হয়েছিলেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে তিনি হাসপাতালে থেকে বেরিয়ে গুলশানের পথে রওনা দেন। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলেন, যারা তার নিরাপত্তা ও সমর্থন নিশ্চিত করছিলেন।

হাসপাতালে তারেকের উপস্থিতি বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে শুরু হয়, যখন তিনি গুলশান এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের গেটের কাছে পৌঁছান। পাঁচ মিনিটের মধ্যে তিনি হাসপাতালে প্রবেশ করেন এবং প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় রোগী খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন। এই সাক্ষাৎ পার্টির অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও পারিবারিক বন্ধনকে পুনরায় জোরদার করেছে।

খালেদা জিয়া, যিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাম্প্রতিক সময়ে স্বাস্থ্যের সমস্যায় ভুগছেন। তারেক রহমানের এই সফর পার্টির নেতৃত্বের মধ্যে পারিবারিক সমর্থন ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর তারেক রহমান গুলশানের বাড়ির দিকে রওনা দেন। গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় তিনি গুলশান অ্যাভিনিউ ১৯৬ নম্বর বাড়ির সামনে গাড়ি থামিয়ে গৃহপ্রবেশ করেন। তার সঙ্গে জুবাইদা ও জাইমা ছিলেন, যাদের উপস্থিতি পারিবারিক পরিবেশকে আরও স্বাভাবিক করেছে।

তারেকের গুলশানে পৌঁছানোর পূর্বে তিনি লন্ডন থেকে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফুট) দিয়ে গণসংবর্ধনাস্থলে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি পার্টির সমর্থকদের সামনে ভাষণ দেন, যা পার্টির সংগঠনের শক্তি ও জনমত সংগ্রহের লক্ষ্যে ছিল।

গণসংবর্ধনাস্থলে তারেকের বক্তৃতা পার্টির নীতি, সরকারী নীতি সমালোচনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীভূত ছিল। উপস্থিত ভক্তরা তারেকের কথা শোনার পর উচ্ছ্বাসে চিৎকার করে, যা পার্টির জনমাধ্যমে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।

বক্তৃতার পর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে রওনা হন, যেখানে তিনি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাৎ পার্টির অভ্যন্তরে সমন্বয় বাড়াতে এবং স্বাস্থ্যগত উদ্বেগ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে গুলশানের বাড়িতে পৌঁছানোর পর তারেক রহমানের উপস্থিতি পার্টির অভ্যন্তরে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করেছে। গুলশান বাড়ি পার্টির উচ্চপদস্থ নেতাদের ঘনিষ্ঠতা ও সমর্থনকে দৃশ্যমান করে তুলেছে।

বিএনপির অভ্যন্তরে এই সফরকে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে পার্টি নেতারা একত্রিত হয়ে পার্টির সংগঠনকে পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ নির্বাচনী পরিকল্পনা গড়ে তুলছেন। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা ও তারেকের গুলশানে অবস্থান পার্টির অভ্যন্তরীণ সমন্বয়কে শক্তিশালী করেছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, গুলশানে তারেকের উপস্থিতি পার্টির ভিত্তি গড়ে তোলার পাশাপাশি ভোটারদের কাছে সরাসরি পৌঁছানোর একটি সুযোগ। গুলশান এলাকার ভোটারগণ এই সফরকে পার্টির প্রতি আস্থা বাড়ানোর সংকেত হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।

পরবর্তী সময়ে তারেক রহমান গুলশান বাড়িতে অবস্থান করে পার্টির কর্মসূচি, সংগঠন ও নির্বাচনী কৌশল নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। পার্টির উচ্চপদস্থ নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় ও পরিকল্পনা গঠন এই সময়ে অগ্রাধিকার হবে।

সারসংক্ষেপে, তারেক রহমানের গুলশানে আগমন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে হাসপাতাল সাক্ষাৎ এবং গণসংবর্ধনা বক্তৃতা একসঙ্গে বিএনপির অভ্যন্তরীণ ঐক্য, নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশলের সূচক হিসেবে কাজ করবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments