20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধনোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মোটরসাইকেল চালকের তল্লাশিতে ৪,০০০ ইয়াবা জব্দ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মোটরসাইকেল চালকের তল্লাশিতে ৪,০০০ ইয়াবা জব্দ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় বুধবার রাতের দিকে ফেনি-চৌমুহনী সড়কের বারপোল সংলগ্ন মধুফুল বেকারির সামনে গড়ে তোলা চেকপোস্টে এক মোটরসাইকেল চালকের তল্লাশিতে প্রায় চার হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল চালক মোহাম্মদ হোসাইন, ২৬ বছর বয়সী, সেনবাগ উপজেলা, পূর্ব মাইজদীপুর গ্রামের প্রয়াত মো. আবুল হাসেমের পুত্র, তল্লাশির সময়ই গ্রেপ্তার হন।

তল্লাশি পরিচালনা করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুব্রত সরকার শুভ, যিনি জানান, বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষের আগে মাদকদ্রব্যের গতি কমাতে নোয়াখালীর পথে চলমান বাসগুলোতে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়।

সেই তল্লাশির সময় একাধিক বাসে সন্দেহজনক গতি লক্ষ্য করে, কর্মকর্তারা একটি মোটরসাইকেলকে সন্দেহের চোখে দেখেন এবং তা থামিয়ে তল্লাশি শুরু করেন।

মোটরসাইকেল চালকের ব্যাগে এবং গাড়ির নিচে গোপনে লুকিয়ে রাখা ৩,৯৬০টি ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়, যা মোটামুটি চার হাজার ট্যাবলেটের সমান। এছাড়াও তার মোবাইল ফোন এবং মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।

অধিদপ্তরের মতে, এই ধরণের বড় পরিমাণের মাদকদ্রব্যের তল্লাশি নৌকা, বাস ও গাড়ির মাধ্যমে সারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা রোধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ হোসাইনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে বেগমগঞ্জ থানা-এ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

বেগমগঞ্জ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, জব্দকৃত মাদকের বিশ্লেষণ ও পরিমাণ নির্ধারণের জন্য ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে, এবং ফলাফল পাওয়া মাত্রই মামলার পরবর্তী ধাপ নির্ধারিত হবে।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুব্রত সরকার শুভ উল্লেখ করেন, এই ধরনের তল্লাশি ভবিষ্যতে মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবাহ কমাতে সহায়ক হবে এবং স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ইতিমধ্যে নোয়াখালীর বিভিন্ন রুটে চেকপোস্ট স্থাপন করে চলেছে, যাতে মাদক পাচারকারীরা সহজে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারে।

স্থানীয় প্রশাসনও তল্লাশি কার্যক্রমে সহযোগিতা করে, রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে, সন্দেহজনক গতি ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

মহিলা ও শিশু সহ সকল নাগরিককে মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে, অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার একসাথে তথ্য প্রচার ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা করেছে।

মোহাম্মদ হোসাইনের মামলার পরবর্তী শুনানি ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখনও কোনো নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশিত হয়নি, তবে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসারে দ্রুতই আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

এই ঘটনার মাধ্যমে নোয়াখালীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ কমাতে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments