২৩ বছর বয়সী ইয়াশাসভি জয়সওয়াল, টেস্ট ও ওডিআই-তে নিয়মিত ওপেনার, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারতীয় দলে না থাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
দিলিপ ভেংসরকার দল গঠন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে, বিশেষ করে জয়সওয়ালের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন যে তাকে দলে ফিরিয়ে আনতে আর কী করতে হবে।
জয়সওয়ালের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি রেকর্ডে ২২ ইনিংসে ৭২৩ রান, স্ট্রাইক রেট ১৬৪.৩১, একটি সেঞ্চুরি এবং পাঁচটি পঞ্চাশের স্কোর রয়েছে।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি (প্রধানত দেশীয়) ম্যাচে তার নামের পাশে চারটি সেঞ্চুরি, তেইশটি পঞ্চাশ এবং মোট ৩,৬৮২ রান যুক্ত।
সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে ১৪ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ের হয়ে হরিয়ানার বিপক্ষে ৫০ balls-এ ১ ছক্কা ও ১৬ চারে ১০১ রান করেন, যা তার সাম্প্রতিক শীর্ষ পারফরম্যান্স।
এই সেঞ্চুরির ছয় দিন পর বিশ্বকাপের দল ঘোষণায় জয়সওয়াল অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় তার অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তীব্র হয়।
ভেংসরকার এই বাদকে “অবাঞ্ছিত” বলে উল্লেখ করেন এবং জয়সওয়ালের ধারাবাহিক ফর্মের কথা তুলে ধরেন।
আলোচনার পর শুবমান গিলকে দলে থেকে বাদ দেওয়া হয়, যা ভেংসরকারের মতে সঠিক সিদ্ধান্ত, তবে তিনি গিলের পরিবর্তে জয়সওয়ালকে বেছে নিলে আরও সন্তোষজনক হতো।
তিনি জোর দিয়ে বলেন যে বর্তমান ফর্ম ও ফিটনেসের ভিত্তিতে খেলোয়াড়ের মূল্যায়ন করা উচিত, এবং এটাই নির্বাচন কমিটির মূল মানদণ্ড হওয়া দরকার।
ভেংসরকার স্পষ্টভাবে জানান, গিলের বদলে জয়সওয়ালকে বেছে নিলে তিনি বেশি সন্তুষ্ট হতেন, কারণ জয়সওয়াল ধারাবাহিকভাবে নিজেকে উৎকৃষ্ট পারফর্মার হিসেবে প্রমাণ করেছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম সংস্করণ ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে, যেখানে ভারত ও শ্রীলঙ্কা উভয়ই প্রথম ম্যাচের অংশগ্রহণকারী।
উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বাইতে সুর্যকুমার যাদবের দল যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে, যা টুর্নামেন্টের সূচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
দল গঠন ও নির্বাচন সংক্রান্ত বিতর্কগুলো ভারতীয় দলের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে রয়ে গেছে, বিশেষ করে বিশ্বকাপের আগে।
ভক্ত ও বিশ্লেষকরা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন, জয়সওয়ালের বাদ দলের পারফরম্যান্সে কী প্রভাব ফেলবে এবং পরবর্তী ম্যাচগুলোতে কী পরিবর্তন আসবে।



