বৃহস্পতিবার, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে আসা বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের উপস্থিতি দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার পথে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, এই ধারণা প্রকাশ করেছে জাতীয় গণতান্ত্রীক ফ্রন্ট (এনডিএফ)।
এনডিএফের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং মুখপাত্র রুহুল আমিন হাওলাদার এক যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, তারেকের ফিরে আসা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে সুদৃঢ় করতে সহায়তা করবে।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের এই প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে নতুন গঠিত বিশ দলীয় জোটের নেতৃত্বে থাকা দলগুলো একত্রিত হয়েছে। জোটের মূল কাঠামোতে রয়েছে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি এবং আনোয়ার হোসেন মঞ্জুরের জাতীয় পার্টি-জেপি।
এনডিএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের নাগরিকরা দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটাধিকার এবং জবাবদিহিমূলক শাসনের জন্য আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে আসছেন; এই চাহিদা পূরণের জন্য সকল গণতান্ত্রিক শক্তির সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।
ফ্রন্টের মতে, তারেকের দেশে ফিরে আসা অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করবে এবং তিনি জনগণের ন্যায্য চাহিদা পূরণে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবেন।
জোটের দুই শীর্ষ নেতা জোর দিয়ে বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংযম, ধৈর্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সংলাপের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক এবং জনগণের আস্থাভাজন রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলা জরুরি।
এই মন্তব্যগুলোকে ভিত্তি করে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, তারেকের ফিরে আসা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নতুন গতিবিধি আনতে পারে, বিশেষত ভোটার অংশগ্রহণ বাড়াতে এবং বিভিন্ন দলীয় গঠনকে সমন্বয় করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
এনডিএফের দৃষ্টিতে, সকল গণতান্ত্রিক শক্তির সমন্বিত ভূমিকা না থাকলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন হবে; তাই এই মুহূর্তে সংযম এবং সংলাপের গুরুত্বকে পুনরায় জোর দেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যতে, এনডিএফ এবং জোটের অন্যান্য সদস্যরা রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতি, ভোটার তালিকা আপডেট এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে।
এইসব উদ্যোগের লক্ষ্য হল দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করা এবং জনগণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করা, যাতে আসন্ন নির্বাচনে অধিকাংশ নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।



