19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলানোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচ খালেদ মাহমুদ ও তলহা জুবায়ের প্রশিক্ষণ সেশন থেকে হঠাৎ...

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচ খালেদ মাহমুদ ও তলহা জুবায়ের প্রশিক্ষণ সেশন থেকে হঠাৎ প্রস্থান

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ এবং সহকারী কোচ তলহা জুবায়ের বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম একাডেমি গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ সেশনের মাঝামাঝি সময়ে সেশন ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। দুই কোচই যথাযথ প্রশিক্ষণ সুবিধা, বিশেষত পর্যাপ্ত ক্রিকেট বলের অভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে তীব্র মতবিরোধে লিপ্ত হন। এই ঘটনার ফলে দলের প্রস্তুতি প্রক্রিয়ায় অপ্রত্যাশিত ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়।

সেশন চলাকালীন পর্যবেক্ষণ করা যায় যে, মাঠে ক্রিকেট বলের সরবরাহে গুরুতর ঘাটতি ছিল। শুধুমাত্র তিনটি বলই কোচদের প্রশিক্ষণ ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হয়েছিল, যা স্বাভাবিক টিমের প্র্যাকটিসের জন্য যথেষ্ট নয়। বলের অভাবের ফলে ব্যাটিং ও বোলিং দু’দিকের কার্যক্রমই সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, ফলে খেলোয়াড়দের মৌলিক দক্ষতা যাচাই করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

কোচ খালেদ মাহমুদ এবং তলহা জুবায়ের মতে, প্রশিক্ষণ সেশনের মাঝখানে বলের ঘাটতি এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ব্যর্থতা তাদেরকে সেশন থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য করে। তারা উল্লেখ করেন যে, প্রশিক্ষণ সময়ে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকলে দলীয় মনোবল ও পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ফলে, কোচরা সেশন ত্যাগের মাধ্যমে তাদের অসন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি ম্যানেজমেন্টকে সমস্যার সমাধানে ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান।

একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ সেশনের সময় কোচদের সঙ্গে অনুপযুক্ত আচরণ করে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। কোচদের মতে, ওই কর্মকর্তার অশোভন আচরণ এবং তদনুযায়ী ব্যবস্থাপনা ব্যর্থতা তাদেরকে রাগান্বিত করে। এই ঘটনাটি কেবল সরঞ্জাম ঘাটতির বিষয় নয়, বরং ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগের পদ্ধতিতে ত্রুটির ইঙ্গিত দেয়।

ফ্র্যাঞ্চাইজি পক্ষ থেকে বলের ঘাটতি পূরণের জন্য নতুন সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, তবে তা দিনের শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। বর্তমানে শুধুমাত্র তিনটি বলই সেশনে ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রশিক্ষণের মান বজায় রাখতে অপ্রতুল। নতুন বলের সরবরাহে দেরি হলে কোচ এবং খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি প্রভাবিত হতে পারে, ফলে দলের পারফরম্যান্সে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পরবর্তী ম্যাচটি শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম রয়্যালসের সঙ্গে নির্ধারিত। টুর্নামেন্টের সূচনার ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে এই ঘটনার প্রকাশ হওয়ায় দলটি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপের মুখে। ম্যাচের সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকলেও, প্রশিক্ষণ সেশনের অপ্রতুলতা দলীয় কৌশল ও খেলোয়াড়দের ফিটনেসে প্রভাব ফেলতে পারে।

গত বছরের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলোয়াড়দের বেতন সংক্রান্ত সমস্যাগুলি ব্যাপক আলোচনার বিষয় ছিল। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, ফ্র্যাঞ্চাইজির আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং পেশাদার পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বর্তমান ঘটনার পরেও একই ধরনের উদ্বেগ পুনরায় উত্থাপিত হয়েছে, যেখানে কোচ এবং খেলোয়াড়দের মৌলিক প্রশিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

সারসংক্ষেপে, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচবৃন্দের প্রশিক্ষণ সেশন ত্যাগের পেছনে সরঞ্জাম ঘাটতি, ম্যানেজমেন্টের অযথা আচরণ এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির আর্থিক ও প্রশাসনিক দুর্বলতা প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই পরিস্থিতি দলের প্রস্তুতি ও আসন্ন ম্যাচের ফলাফলে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনো অনিশ্চিত, তবে ম্যানেজমেন্টের দ্রুত পদক্ষেপ এবং যথাযথ সরবরাহ ব্যবস্থা দলের মনোবল পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments