গুলশানের ১৯৬ নং বাড়িতে আজ দুপুর ১২ঃ৫৫ টায় জুবাইদা রহমান এবং তার কন্যা জাইমা রহমানের আগমন নিশ্চিত হয়েছে। দুজনকে পুলিশ ও সিএসএফের সদস্যদের সঙ্গ দিয়ে নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসারে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
তাদের স্বামী, বিএনপি কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে উভয়েই আগের দিন সিলেট ওসমানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৯ঃ৫৭ টায় অবতরণ করেন। সংক্ষিপ্ত বিরতির পর একই দিনে ১১ঃ৪১ টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
ঢাকার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিএনপি দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা তারেককে স্বাগত জানিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। স্বাগত অনুষ্ঠানে তিনি দলের নেতাদের সঙ্গে হাতমিলেন, আলিঙ্গন বিনিময় করেন এবং উপস্থিত সকলকে হাত নাড়িয়ে স্বীকৃতি জানান।
বিমানবন্দরের এই স্বাগত অনুষ্ঠানটি দলের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে। স্বাগত জানানো নেতাদের মধ্যে কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন, যাঁরা তারেকের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলাপচারিতা করেন।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত দিক থেকে, জুবাইদা ও জাইমা গুলশানে পৌঁছানোর সময় পুলিশ ও সিএসএফের সুনির্দিষ্ট তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি তাদের গন্তব্যে নিরাপদে পৌঁছাতে সহায়তা করে।
বিএনপি কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যানের স্বামী হিসেবে তারেকের ফিরে আসা রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জুবাইদা, যিনি তারেকের স্ত্রী, এবং জাইমা, তার কন্যা, তার সঙ্গে এই সফরে যুক্ত ছিলেন।
বাড়িতে পৌঁছানোর পর জুবাইদা তারেকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে দেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান। এই ফোন কলটি দলের অভ্যন্তরীণ সমর্থন ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তারা গুলশানের বাড়িতে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বাড়ির আশেপাশে গাড়ি পার্কিং এবং গেটের নিয়ন্ত্রণ কঠোরভাবে বজায় রাখা হয়।
বিএনপি দলের উচ্চপদস্থ নেতারা তারেকের ফিরে আসার পরবর্তী রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এ মুহূর্তে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি।
গুলশানে পৌঁছানোর পর জুবাইদা ও জাইমা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে, যেখানে পরিবারিক পরিবেশে স্বাগত জানানো হয়। বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময়ের আলাপচারিতা করা হয়।
নিরাপত্তা সংস্থাগুলি তাদের গৃহে অবস্থানকালে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাবে এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখবে। এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের গৃহে উপস্থিতি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
বিএনপি দলের অভ্যন্তরে এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য না থাকলেও, দলের নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
সারসংক্ষেপে, জুবাইদা ও জাইমা গুলশানের বাড়িতে নিরাপদে পৌঁছেছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং দলের উচ্চপদস্থ নেতাদের স্বাগত নিয়ে। তাদের ফিরে আসা রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে কী প্রভাব ফেলবে তা সময়ই প্রকাশ করবে।



