22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলানোয়াখালি এক্সপ্রেসের কোচ খালেদ মহম্মদ ও তলহা জুবায়ের প্রশিক্ষণ সেশনে অর্ধেক সময়ে...

নোয়াখালি এক্সপ্রেসের কোচ খালেদ মহম্মদ ও তলহা জুবায়ের প্রশিক্ষণ সেশনে অর্ধেক সময়ে পদত্যাগ

বৃহস্পতিবার নোয়াখালি এক্সপ্রেসের প্রধান কোচ খালেদ মহম্মদ এবং সহকারী কোচ তলহা জুবায়েরা সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম একাডেমি গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ সেশনের মাঝপথে সিট থেকে উঠে চলে যান। এই পদত্যাগের মূল কারণ ছিল প্রশিক্ষণ সুবিধার অপর্যাপ্ততা এবং সরঞ্জামের ঘাটতি।

সেশনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল নোয়াখালি দলের শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে। তবে প্রশিক্ষণ মাঠে ক্রিকেট বলের সংখ্যা যথেষ্ট না থাকায় কোচবৃন্দের কাজের গতি ব্যাহত হয়। সেশন শুরু হওয়ার আগে মাত্র একদিন বাকি থাকলেও সরবরাহের ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

প্রশিক্ষণের সময় কোচবৃন্দ লক্ষ্য করেন যে, মাঠে মাত্র তিনটি বলই ব্যবহার করা হচ্ছে, যা পূর্ণ ব্যাটিং ও বোলিং অনুশীলনের জন্য যথেষ্ট নয়। বলের অভাবে খেলোয়াড়রা সঠিক শট ও বলের গতি অনুশীলন করতে পারছিল না, ফলে প্রশিক্ষণের মান ন্যূনতম স্তরে নেমে আসে। এই পরিস্থিতি কোচদের মধ্যে অসন্তোষের সঞ্চার ঘটায়।

ক্লাবের ব্যবস্থাপনা ও মাঠের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সময় একটি কর্মকর্তা কোচদের সঙ্গে অনুপযুক্ত আচরণ করেন বলে জানানো হয়। সেই ঘটনার ফলে কোচ মহম্মদ ও জুবায়েরা আরও বিরক্ত হয়ে প্রশিক্ষণ থেকে বেরিয়ে যান। তাদের মতে, এই ধরনের আচরণ এবং সরঞ্জামের ঘাটতি দলের প্রস্তুতিতে বড় বাধা সৃষ্টি করছে।

ফ্র্যাঞ্চাইজি পক্ষ বলের ঘাটতি পূরণের জন্য নতুন সরবরাহের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে, তবে তা কখনো হবে তা স্পষ্ট নয়। সেশনের সময়ই জানানো হয় যে, অতিরিক্ত বল সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান, তবে তা সেশনের শেষের দিকে পৌঁছাবে কিনা তা অনিশ্চিত রয়ে যায়। ফলে কোচবৃন্দের প্রত্যাশা পূরণে সময়সীমা অতিক্রান্ত হতে পারে।

প্রশিক্ষণ সেশনে মাত্র তিনটি বলই ব্যবহার করা হয়েছিল, যা পুরো দলের জন্য যথেষ্ট নয়। এই সীমিত সরবরাহের ফলে খেলোয়াড়দের ব্যাটিং, ফিল্ডিং ও বোলিং দক্ষতা সম্পূর্ণভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। কোচবৃন্দের মতে, যথাযথ সরঞ্জাম ছাড়া দলকে প্রস্তুত করা অসম্ভব।

গত বছরের বিএল মৌসুমে খেলোয়াড়দের বেতন সংক্রান্ত সমস্যাগুলি ব্যাপক আলোচনার বিষয় ছিল। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা এখনো স্মরণে আছে এবং নতুন সিজনের প্রস্তুতিতে অতিরিক্ত চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোচবৃন্দের এই পদত্যাগের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজির পরিচালনাগত দুর্বলতা আবারো প্রকাশ পায়।

ক্লাবের ব্যবস্থাপনা এখনো এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ নেবে তা স্পষ্ট নয়। তবে দলের পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতি নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কোচবৃন্দের দাবি হল, প্রশিক্ষণ সেশনের জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের সঙ্গে শুক্রবার সন্ধ্যায় নির্ধারিত ম্যাচটি নোয়াখালি এক্সপ্রেসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমান পরিস্থিতি দলকে মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত করতে বাধা সৃষ্টি করছে। কোচবৃন্দের পদত্যাগের পর দলকে কীভাবে পুনর্গঠন করা হবে, তা এখনই মূল প্রশ্ন।

ফ্র্যাঞ্চাইজির পরিচালনায় ধারাবাহিকতা ও পেশাদারিত্বের অভাবের ইঙ্গিত এই ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে। খেলোয়াড় ও কোচদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা না থাকলে দলীয় পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই বিষয়টি ভবিষ্যৎ সিজনে সংশোধনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রশিক্ষণ সেশনের অপ্রত্যাশিত সমাপ্তি এবং সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে ক্লাবের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এখনো মন্তব্য করেননি। তবে দলের ভক্ত ও বিশ্লেষকরা ইতিমধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হওয়া ম্যাচের ফলাফল এই সমস্যার সমাধানের দিক নির্ধারণ করবে।

সারসংক্ষেপে, নোয়াখালি এক্সপ্রেসের কোচবৃন্দের অর্ধেক সময়ে প্রশিক্ষণ ত্যাগের পেছনে সরঞ্জামের অভাব, ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংঘর্ষ এবং পূর্বের বেতন সমস্যার স্মৃতি রয়েছে। দলকে শীঘ্রই যথাযথ সরঞ্জাম ও সমর্থন প্রদান করা না হলে পরবর্তী ম্যাচে পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়তে পারে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments