28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপির খালেদা জিয়া’র স্ত্রী ডা. জুবাইদা ও কন্যা গুলশানে পৌঁছালেন

বিএনপির খালেদা জিয়া’র স্ত্রী ডা. জুবাইদা ও কন্যা গুলশানে পৌঁছালেন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খালেদা জিয়া’র স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপস্থিত হয়েছেন। এদের পৌঁছানোর সময় ছিল দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিট, যখন পুলিশ ও সিএসএফ সদস্যদের প্রটেকশনসহ গন্তব্যে প্রবেশ করেন।

ডা. জুবাইদা ও জাইমা গুলশানের এই বাড়িতে পৌঁছানোর আগে, তাদের স্বামী ও বাবা খালেদা জিয়া’র ভাইবোনের নেতৃত্বাধীন দলটি একই দিনে ঢাকা-লন্ডন সংযোগে উড়ে গিয়েছিল। সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করা বিমানটি, কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পর, দুপুর ১১টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ঢাকার বিমানবন্দরে খালেদা জিয়া’র ভাইবোনের দলকে স্বাগত জানায় দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। স্বাগত অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে হাত মেলিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের মাধ্যমে পারস্পরিক কোলাকুলি করেন। এই সময়ে উপস্থিত সকলের প্রতি তিনি হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

গৃহে পৌঁছানোর পর ডা. জুবাইদা ও জাইমা নিরাপদে গৃহে প্রবেশ করেন, যেখানে পারিবারিক সদস্য ও পার্টির কর্মীরা তাদের স্বাগত জানায়। গুলশানের এই বাসভবনটি খালেদা জিয়া’র পারিবারিক বাসস্থান হিসেবে পরিচিত, এবং এই উপস্থিতি পার্টির অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা) খালেদা জিয়া’র দল লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকা উদ্দেশে রওনা হয়। এই রওনা হওয়া বিমানটি, লন্ডন থেকে সরাসরি ঢাকা পর্যন্ত উড়ে, পূর্বে উল্লেখিত সময়ে সিলেট ও ঢাকা উভয়ই স্পর্শ করে।

খালেদা জিয়া’র পরিবারিক সদস্যদের এই ভ্রমণ ও গুলশানে উপস্থিতি, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করেছে। বিশেষ করে, দলের অভ্যন্তরে ও বিরোধী দলের মধ্যে এই ধরনের ভ্রমণ সাধারণত পার্টির কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিএনপির নেতৃত্বের এই পদক্ষেপের পর, পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতারা গুলশানে উপস্থিত হয়ে দলের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে গেছেন। যদিও কোনো নির্দিষ্ট ঘোষণার কথা প্রকাশিত হয়নি, তবে পার্টির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও নির্বাচনী প্রস্তুতির জন্য এই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় করা হতে পারে।

অধিকন্তু, গুলশানে ডা. জুবাইদা ও জাইমা’র উপস্থিতি, পার্টির ভেতরে নারীর ভূমিকা ও অংশগ্রহণের প্রসঙ্গেও আলোচনার সূত্রপাত করেছে। পার্টির নারী কর্মীরা এই সুযোগে নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পেয়েছেন।

সামাজিক ও নিরাপত্তা দিক থেকে, গুলশানের এই বাসভবনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে বজায় রাখা হয়েছে। পুলিশ ও সিএসএফের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে যে, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কম।

এই ঘটনার পর, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন যে, খালেদা জিয়া’র পারিবারিক সদস্যদের উপস্থিতি পার্টির সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং আসন্ন নির্বাচনী চক্রে শক্তিশালী অবস্থান নিতে সহায়তা করবে। তবে, এই বিষয়গুলো এখনও পার্টির অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনার অংশ, এবং ভবিষ্যতে কীভাবে এগিয়ে যাবে তা সময়ই প্রকাশ করবে।

সংক্ষেপে, গুলশানে ডা. জুবাইদা ও জাইমা রহমানের আগমন, খালেদা জিয়া’র পারিবারিক ও রাজনৈতিক সংযোগকে পুনরায় দৃশ্যমান করেছে, এবং দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে নতুন গতিবিধি সূচিত করেছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments