22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলামুস্তাফিজ ও তাসকিন বিদেশি টি-টোয়েন্টি লিগের পর বিপিএলে ফিরে এলেন

মুস্তাফিজ ও তাসকিন বিদেশি টি-টোয়েন্টি লিগের পর বিপিএলে ফিরে এলেন

দুইজন অভিজ্ঞ বাংলাদেশি পেসার, মুস্তাফিজুর রহমান এবং তাসকিন, বিদেশি টি-টোয়েন্টি লিগের পর দেশে ফিরে বিপিএল সিজনের জন্য প্রস্তুত। উভয়ই বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছেছেন এবং নিজেদের নতুন দলকে শক্তিশালী করতে প্রস্তুত।

মুস্তাফিজুর রহমান সরাসরি চুক্তিতে রংপুর রাইডার্সের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, আর তাসকিনকে ঢাকা ক্যাপিটালস নিয়োগ করেছে। দুজনই বিদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশ নিতে যাচ্ছেন।

মুস্তাফিজুর রহমানের আইএল টি-টোয়েন্টি লিগে প্রথম উপস্থিতি এই সিজনেই হয়েছে। তার আগে তিনি আইপিএল, পিএসএল, এলপিএল এবং ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে খেলেছেন, যা তাকে বহুমুখী অভিজ্ঞতা প্রদান করেছে।

আইএল টি-টোয়েন্টিতে দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে ৮টি ম্যাচে তিনি ওভারপ্রতি ৮.০৮ রান দিয়ে ১৫টি উইকেট সংগ্রহ করেছেন। এই পরিসংখ্যান টুর্নামেন্টে মোট উইকেটের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ।

মুস্তাফিজুর রহমানের বিপিএল অভিজ্ঞতা ২০১৯-২০ মৌসুমে রংপুর রেঞ্জার্সের সঙ্গে শুরু হয়। সেই সিজনে তিনি ১২টি ম্যাচে ২০টি উইকেট নিয়ে নিজের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়ে তোলেন।

এবার তিনি রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলবেন, যা একই শহরের আরেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। তার উপস্থিতি রাইডার্সের বোলিং আক্রমণে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তাসকিনের বিদেশি টি-টোয়েন্টি অভিজ্ঞতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমিত। গত বছর তিনি এলপিএলে মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলেছেন, আর এই সিজনে শারজাহ ওয়ারিয়র্সের হয়ে ছয়টি ম্যাচে ৯টি উইকেট নিয়ে ওভারপ্রতি ৮.৭৬ রান দিয়েছেন।

আইএল টি-টোয়েন্টির আগে তাসকিন আবু ধাবি টি-টেন লিগে নর্দান ওয়ারিয়র্সের হয়ে ছয়টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেন, যদিও এই লিগকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।

বিপিএলে তাসকিনের সর্বশেষ উপস্থিতি দুর্বার রাজশাহীর (রাজশাহী রয়্যালস) হয়ে ছিল, যেখানে তিনি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ২৫টি উইকেট নেন। বিশেষ করে এক ম্যাচে তিনি একসাথে সাতটি উইকেট নিয়ে ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।

বিপিএল ইতিহাসে তাসকিনের মোট ৯০টি ম্যাচে ১২৭টি উইকেট রয়েছে, যা পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। স্পিনারদের মধ্যে কেবল সাকিব আল হাসান (১১৩ ম্যাচে ১৪৯ উইকেট) তার চেয়ে বেশি।

মুস্তাফিজুর রহমানের বিপিএল রেকর্ডে ৮২টি ম্যাচে ১০৫টি উইকেট রয়েছে, যা তাকে মোট উইকেট শিকারিদের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রাখে। তার ধারাবাহিকতা এবং গতি দলকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভয়ঙ্কর চাপ দিতে সক্ষম।

বিপিএল শীঘ্রই সূচনা হতে যাচ্ছে এবং দুজনই তাদের নতুন দলে প্রথম ম্যাচে দায়িত্ব পালন করবেন। রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ক্যাপিটালসের কোচরা উভয় খেলোয়াড়ের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে দলের কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করেছেন।

মুস্তাফিজ ও তাসকিনের ফিরে আসা দেশীয় টুর্নামেন্টে গুণগত বোলিং মান বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা আশা প্রকাশ করছেন। তাদের উপস্থিতি তরুণ পেসারদের জন্য মডেল এবং বিপিএলের সামগ্রিক প্রতিযোগিতামূলক মানকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments