মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের দক্ষিণ জেলায় ফেডারেল তদন্তকারী সংস্থা এক মিলিয়নেরও বেশি নথি আবিষ্কার করেছে, যেগুলি মৃত যৌন অপরাধী জেফ্রি ইপস্টেইনের মামলার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। এই নথিগুলি পরবর্তী সপ্তাহে জনসাধারণের জন্য প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
দক্ষিণ নিউ ইয়র্কের যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি এবং ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (FBI) এই নথিগুলি বিচার বিভাগের (DoJ) কাছে হস্তান্তর করেছে। হস্তান্তরের পর, আইনজীবীরা নথিগুলির বিষয়বস্তু পরীক্ষা শুরু করেছে।
প্রাপ্ত নথিগুলির মধ্যে ইমেল, আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড, বিমান টিকিট, এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগের ডকুমেন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যা ইপস্টেইনের নেটওয়ার্কের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করতে পারে। এই ধরনের তথ্যের বিশাল পরিমাণই পর্যালোচনার সময় বাড়িয়ে দেয়।
বিভাগীয় সামাজিক মিডিয়া পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, আইনজীবীরা রাতারাতি কাজ করে শিকারদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব লালচিহ্ন (redaction) প্রয়োগ করছে। শিকারদের পরিচয় গোপন রাখতে এই প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক।
নথির পরিমাণের বিশালতা বিবেচনা করে, সম্পূর্ণ পর্যালোচনা এবং প্রকাশে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। DoJ এই সময়সীমা ‘কয়েক সপ্তাহের বেশি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
গত সপ্তাহে, বিচার বিভাগ ইতিমধ্যে হাজার হাজার নথি প্রকাশ করেছে, যেগুলোর কিছুতে ব্যাপক লালচিহ্ন রয়েছে। এই প্রকাশের ফলে ইপস্টেইনের তদন্তের নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে।
এই নথি প্রকাশের ভিত্তি হল কংগ্রেসের পাস করা ‘ইপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরে আইন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, সব নথি জনসাধারণের কাছে শেয়ার করতে হবে, তবে শিকারদের গোপনীয়তা রক্ষা করা বাধ্যতামূলক।
লালচিহ্ন প্রয়োগের মূল উদ্দেশ্য হল শিকারদের নাম, ঠিকানা এবং অন্যান্য সনাক্তকারী তথ্য গোপন রাখা, যাতে তাদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় থাকে। একই সঙ্গে, নথির মূল বিষয়বস্তু অপরিবর্তিত রেখে তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়।
প্রকাশিত নথিগুলি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সরকারি রেকর্ডের মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে পৌঁছাবে। তবে, সম্পূর্ণ নথি সংগ্রহের পরিমাণের কারণে, প্রথম পর্যায়ে শুধুমাত্র নির্বাচিত অংশগুলোই প্রকাশিত হতে পারে।
শিকারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য, প্রকাশের আগে সব তথ্যের সতর্ক পর্যালোচনা করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ভুল বা অতিরিক্ত প্রকাশ এড়াতে বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে।
আইনি বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই অতিরিক্ত নথি ইপস্টেইনের নেটও



