ঢাকায় দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো সংবাদপত্রের সদর দফতরে গত বৃহস্পতিবার রাতের সময় সংঘটিত হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ৩১ জনের গ্রেফতার আজ প্রকাশিত হয়েছে। চিফ অ্যাডভাইজারের প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।
হামলাটি দ্য ডেইলি স্টার অফিসে শুরু হয়, যেখানে একদল ভিড় অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে মিলিয়ে ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় আগুন জ্বালায়। অগ্নি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, ঘন ধোঁয়া গঠন করে এবং নয়-তলা ভবনের ভিতরে কাজ করা দুই ডজনেরও বেশি সাংবাদিক ও কর্মচারীকে চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ফাঁদে ফেলে রাখে।
অগ্নিকাণ্ডের ফলে কোনো প্রাণহানি রিপোর্ট করা হয়নি, তবে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো উভয়ের দফতরে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাজের পরিবেশে ব্যাঘাত ঘটেছে।
শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে প্রাথমিক তদন্তের পর ৩১ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের মধ্যে মূলত হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণকারী, আগুন জ্বালানো এবং অস্থায়ীভাবে ভবন দখল করা ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রেস সেক্রেটারি উল্লেখ করেন, দণ্ডবিধির পাশাপাশি পাবলিক অর্ডার রক্ষা সংক্রান্ত আইন ও অগ্নি নির্বাপণ সংক্রান্ত বিধানও প্রয়োগ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সকল অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুততর করা হবে।
প্রথম আলো অফিসে সংঘটিত হামলার বিস্তারিত এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবে একই সময়ে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। উভয় সংস্থার প্রতিনিধিরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।
আইনগত দিক থেকে, গ্রেফতারের পরবর্তী ধাপ হবে আদালতে মামলার দাখিল এবং প্রমাণ উপস্থাপন। সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও তদন্তকারী দল মামলার রেকর্ড, ভিডিও ফুটেজ এবং সাক্ষ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাবে। বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর অপরাধীদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত শাস্তি কার্যকর করা হবে।
এই ঘটনার পর সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত নির্দেশনা জারি করার কথা জানিয়েছে। ভবিষ্যতে অনুরূপ হামলা রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা জোর দেওয়া হয়েছে।
মিডিয়া ইউনিয়ন ও সাংবাদিক সমিতি ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে, আহত কর্মীদের ত্রাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে। তারা সরকারকে মিডিয়া প্রতিষ্ঠ



