অভিনেতা অক্ষয় খন্না, সাম্প্রতিক সময়ে ‘ধুরন্ধর’ এবং ‘ছায়া’ ছবিতে প্রধান বিরোধী চরিত্রে অভিনয় করে ক্যারিয়ারে নতুন উত্থান দেখিয়েছেন। এই সাফল্যের পর তার পারিশ্রমিকের দাবি বাড়ায়, যা বর্তমানে চলমান ‘ড্রিশ্যম ৩’ ছবির সঙ্গে টানাপোড়েনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘ধুরন্ধর’ ছবিতে খন্নার সংযত কিন্তু প্রভাবশালী পারফরম্যান্স দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে, ফলে তিনি শিল্পের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অভিনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। একই সঙ্গে ‘ছায়া’ ছবিতে প্রধান খলনায়ক হিসেবে তার উপস্থিতি দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এই দুই ছবির সাফল্য তার বাজারমূল্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তুলেছে।
‘ড্রিশ্যম’ সিরিজের দ্বিতীয় ভাগে খন্না গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন, যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। তৃতীয় ভাগের প্রস্তুতি চলাকালে, তার পারিশ্রমিকের নতুন চাহিদা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। নির্মাতারা পূর্বে নির্ধারিত শর্তে সম্মত না হওয়ায় পারিশ্রমিকের পার্থক্য উত্থাপিত হয়।
অতিরিক্তভাবে, পারিশ্রমিকের পাশাপাশি সৃজনশীল দিকেও মতবিরোধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যদিও এই বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়নি, তবে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে, অক্ষয় খন্না ‘ড্রিশ্যম ৩’ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমান সময়ে উভয় পক্ষই পুনরায় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে পারস্পরিক স্বার্থে সমাধান বের করা যায়। যদি কোনো সমঝোতা হয়, তবে খন্না পুনরায় ছবিতে ফিরে আসতে পারেন।
‘ড্রিশ্যম ৩’ ইতিমধ্যে প্রচার পর্যায়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ছবির নির্মাতারা অজয় দেবগণের কণ্ঠে একটি টিজার ভিডিও প্রকাশ করে দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছেন। এই টিজারটি ছবির গোপনীয়তা এবং উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে, যা দর্শকদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, অক্ষয় খন্নার ক্যারিয়ার পুনরুজ্জীবনের সঙ্গে সঙ্গে তার পারিশ্রমিকের পুনর্মূল্যায়ন শিল্পের নতুন বাস্তবতা প্রকাশ করে। ‘ড্রিশ্যম ৩’ প্রকল্পে তার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত, তবে উভয় পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে কী হবে তা সময়ই বলবে।



