22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধদীপু চন্দ্র দাসের পরিবারকে রাষ্ট্রের সহায়তা, ১২ সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

দীপু চন্দ্র দাসের পরিবারকে রাষ্ট্রের সহায়তা, ১২ সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

থারাকান্দা উপজেলার মোকামিয়াকান্দা গ্রামে মঙ্গলবার বিকেল প্রায় চারটায় শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার পরিবারকে দেখার জন্য গিয়ে মৃতের বাবা রবি চন্দ্র দাসের সঙ্গে কথা বললেন। রবি চন্দ্র দাস নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে, হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার চেয়েছেন।

উপদেষ্টা জানিয়ে দেন, দাসের সন্তান, স্ত্রী ও বাবা-মায়ের দেখভালের দায়িত্ব এখন রাষ্ট্র গ্রহণ করেছে। তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পূর্বে আলোচনা করে, পরিবারটির প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ করে যথাযথ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে এই সমন্বয় কাজটি চালানো হবে।

দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ডকে তিনি নৃশংস অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে, এমন কোনো কাজের কোনো অজুহাত নেই বলে জোর দেন। সমাজে এ ধরনের সহিংসতার কোনো স্থান নেই এবং সরকার এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনায় জড়িত ১২ জন সন্দেহভাজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলমান এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চালু হবে। আইন শাসনের অধীনে অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্ম, জাতি ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থানের মাধ্যমে বসবাস করে আসছে। রাষ্ট্র সকল নাগরিকের মতপ্রকাশের অধিকারকে সম্মান করে, তবে তা অন্যের প্রতি সম্মান বজায় রেখে করা উচিত।

কোনো মতের আপত্তি থাকলেও, ব্যক্তিগতভাবে আইন নিজের হাতে নেওয়ার কোনো অধিকার নেই। আইনশাসিত রাষ্ট্রে অভিযোগ তদন্ত ও দায় নির্ধারণের একমাত্র কর্তৃত্ব সরকার। বিশ্বাস বা মতের পার্থক্য কখনোই সহিংসতার কারণ হতে পারে না, এ বিষয়টি তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন।

ধর্ম বা পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ, তিনি উল্লেখ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্টা নিশ্চিত করবে যে, এমন সহিংসতা কখনোই সহ্য করা হবে না।

বর্তমানে কিছু দুষ্কৃতকারী গোষ্ঠী বিভাজন ও অস্থিরতা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে, এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

পরিবারের চাহিদা নিরূপণ এবং সহায়তা প্রদান প্রক্রিয়া দ্রুততর করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিবারকে আর্থিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাগত সহায়তা নিশ্চিত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

দীপু চন্দ্র দাসের পরিবার এখন রাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, এই ধরনের সহিংসতা পুনরায় না ঘটার জন্য আইন প্রয়োগে পূর্ণ শক্তি ব্যবহার করা হবে।

সামাজিক সংহতি বজায় রাখতে এবং অপরাধের শিকারের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি এবং আদালতের পরবর্তী রায়ের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

এই ঘটনার পর, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পরিবারকে সহায়তা ও ন্যায়বিচারের আশ্বাস পাওয়া গেছে, যা সমাজে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার প্রতি আস্থা পুনরুজ্জীবিত করবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments