22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধব্রিটিশ এয়ারওয়েজের হায়দ্রাবাদ গমনকারী ফ্লাইটে বোমা হুমকি, নিরাপত্তা প্রোটোকল কার্যকর

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের হায়দ্রাবাদ গমনকারী ফ্লাইটে বোমা হুমকি, নিরাপত্তা প্রোটোকল কার্যকর

লন্ডন হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে হায়দ্রাবাদ গন্তব্যে উড়ে যাওয়া ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের বিএ২৭৭ ফ্লাইটে সোমবার একটি ই-মেইল মারফত বোমা হুমকি প্রেরণ করা হয়। হুমকির তথ্য পাওয়ার পর হায়দ্রাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবিলম্বে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ফ্লাইটটি কোনো ক্ষতি ছাড়াই হায়দ্রাবাদে অবতরণ করে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

বিমানবন্দরের সূত্র অনুযায়ী, হুমকিটি ইলেকট্রনিক মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা দপ্তরে জানানো হয়। হায়দ্রাবাদে অবতরণকারী এই ফ্লাইটটি ছিল লন্ডন থেকে সরাসরি উড়ে আসা, যার যাত্রীসংখ্যা প্রায় একশো। হুমকির বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দল ফ্লাইটের জন্য বিশেষ প্রোটোকল চালু করে।

ফ্লাইট অবতরণ করার পর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে বিমানটিকে আলাদা করে রাখে এবং সকল যাত্রী ও লাগেজের তল্লাশি শুরু করে। তল্লাশির সময় অগ্নিনির্বাপণ ইঞ্জিন প্রস্তুত রাখা হয় এবং স্নিফার কুকুরকে ব্যবহার করে সম্ভাব্য বিস্ফোরক পদার্থের সন্ধান নেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

নিরাপত্তা প্রোটোকলের অংশ হিসেবে, বিমানটি নির্দিষ্ট নিরাপত্তা জোনে রাখা হয় এবং ফ্লাইটের ইঞ্জিন, ক্যাবিন ও লোডিং এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালু করা হয়। স্নিফার ডগের সাহায্যে বিমান ও লাগেজে কোনো ধোঁয়া বা বিস্ফোরক গন্ধের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি, অগ্নি নির্বাপণ দল প্রস্তুত অবস্থায় থাকে যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানো যায়।

সব নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর বিমানটি পুনরায় হিথ্রো গন্তব্যে উড়ে যাওয়ার অনুমোদন পায়। বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, ফ্লাইটটি কোনো বিলম্ব ছাড়াই পুনরায় চালু করা হয় এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

হায়দ্রাবাদ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রধান উল্লেখ করেছেন যে, এমন হুমকি পাওয়া গেলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা মেনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তিনি বলেন, বোমা হুমকির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা একসঙ্গে কাজ করে।

হুমকির সূত্র অনুসন্ধানের জন্য স্থানীয় পুলিশ ও সাইবার নিরাপত্তা দপ্তরকে জানানো হয়েছে এবং তারা ই-মেইলের উৎস ও প্রেরকের পরিচয় নির্ণয়ের জন্য তদন্ত চালু করেছে। আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, বোমা হুমকি দেওয়া অপরাধে কঠোর শাস্তি নির্ধারিত আছে এবং সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগ করা হবে।

যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ হুমকির পর যাত্রীদের উদ্বেগ কমাতে তথ্য প্রদান করে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে। অধিকাংশ যাত্রীই নিরাপত্তা প্রোটোকল সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটলে দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।

বিমান চলাচলের ইতিহাসে অনুরূপ হুমকি প্রায়ই দেখা যায়, তবে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে বড় কোনো ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনা আবারও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল নিরাপত্তার গুরুত্বকে তুলে ধরেছে এবং সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে সতর্কতা বজায় রাখতে আহ্বান জানায়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বর্তমানে হুমকির সম্ভাব্য উৎস ও পদ্ধতি বিশ্লেষণ করে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োগের পরিকল্পনা করছে। ভবিষ্যতে একই রকম হুমকি এড়াতে প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ও সাইবার নিরাপত্তা শক্তিশালী করা হবে। সবশেষে, নিরাপত্তা প্রোটোকল কার্যকর হওয়ায় কোনো ক্ষতি না ঘটায় এই ঘটনাটি একটি সতর্কতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments