সনি পিকচার্সের নতুন মেটা‑রিবুট ‘অ্যানাকোন্ডা (২০২৫)’ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫-এ ভারতের ১,০০০‑এর বেশি থিয়েটারে প্রদর্শিত হবে। ইংরেজি, হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় একসাথে মুক্তি পেয়ে চলচ্চিত্রটি ছুটির দিনে বৃহৎ দর্শকগোষ্ঠীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।
বিনোদন বাজারে বর্তমানে ধুরন্ধরের ধারাবাহিকতা শীর্ষে থাকলেও, এই নতুন কমেডি‑হররার বিশাল স্ক্রিন সংখ্যা তাকে আলাদা করে তুলেছে। চলচ্চিত্রটি একাধিক ভাষায় একসাথে প্রকাশের মাধ্যমে প্যান‑ইন্ডিয়া পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়েছে।
টম গরমিক্যান পরিচালিত এই রিবুটটি দুই বন্ধুর গল্পের ওপর ভিত্তি করে, যাঁরা ১৯৯৭ সালের মূল ‘অ্যানাকোন্ডা’ ছবির অমলিন রিমেক তৈরি করার চেষ্টা করে। জ্যাক ব্ল্যাক ও পল রাড অভিনীত এই দুই চরিত্র বাস্তবায়িত বিশাল সাপের সঙ্গে অপ্রত্যাশিত মুখোমুখি হয়।
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৫ থেকে ৯৯ মিনিট, যা দিনে একাধিক শো চালানোর সুযোগ দেয়। মাল্টিপ্লেক্সগুলো এই সংক্ষিপ্ত সময়কে ব্যবহার করে বেশি দর্শককে আকর্ষণ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইংরেজি ছাড়াও হিন্দি, তামিল ও তেলুগু সংস্করণে প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন ভাষাভাষী দর্শকের চাহিদা পূরণ হয়। এই বহুভাষিক কৌশলটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সমানভাবে জনপ্রিয়তা অর্জনে সহায়ক হবে।
প্রচারণা দল শক্তিশালী মার্কেটিং ক্যাম্পেইন চালু করেছে, যেখানে মূল ১৯৯৭ সালের ছবির স্মৃতি ও ধারাবাহিকতার নস্টালজিয়া ব্যবহার করা হয়েছে। দর্শকরা চলচ্চিত্রে বহু ইস্টার এগের সন্ধান পেয়েছেন, যা মূল সিরিজের ভক্তদের জন্য অতিরিক্ত আকর্ষণ তৈরি করেছে।
বিশ্বব্যাপী প্রিমিয়ার থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক হয়েছে। প্রথম দর্শকরা গল্পের হিউমার ও সাপের রোমাঞ্চকর উপস্থিতিকে প্রশংসা করেছেন, এবং চলচ্চিত্রের দ্রুত গতি ও হালকা মেজাজকে উল্লেখযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন।
এই রিলিজটি একই সময়ে প্রকাশিত বলিউডের ‘তু মেরি মেইন তেরা মেইন তেরা তু মেরি’ ছবির সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা করবে। দুটোই বড় ছুটির দিনে মুক্তি পেয়ে দর্শকের মনোযোগ ভাগাভাগি করবে।
বিতরণকারী দল ক্রিসমাস ডে রিলিজকে কৌশলগতভাবে বেছে নিয়েছে, যাতে পরিবারিক ছুটির সময়ে সিনেমা হলের ভিড় বাড়ে এবং টিকিট বিক্রির সম্ভাবনা সর্বোচ্চ হয়।
যুবক কমেডি অভিনেতা জ্যাক ব্ল্যাক ও পল রাডের পাশাপাশি স্টিভ জাহ্নও সহায়ক ভূমিকায় উপস্থিত, যা চলচ্চিত্রের কাস্টকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তাদের পারফরম্যান্সকে দর্শকরা ইতিমধ্যে প্রশংসা করছেন।
থিয়েটার মালিক ও এক্সিবিটররা এই বিশাল স্ক্রিন সংখ্যা ও সংক্ষিপ্ত রানটাইমকে ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন। তারা বিশ্বাস করেন, অধিক শো সময়সূচি ও বহুভাষিক সংস্করণ সিনেমা হলের আয় বাড়াবে।
সামগ্রিকভাবে, ‘অ্যানাকোন্ডা (২০২৫)’ ছুটির মৌসুমে হালকা মেজাজের কমেডি ও রোমাঞ্চের মিশ্রণ নিয়ে দর্শকের কাছে নতুন অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। চলচ্চিত্রটি হালকা হাসি, নস্টালজিয়া ও সাপের রোমাঞ্চের সমন্বয়ে একটি ভিন্ন ধরণের বিনোদন উপস্থাপন করবে।



