27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি মহাসচিব ফখরুলের মন্তব্যে গণতন্ত্রের উত্তরণে চক্রান্তের অভিযোগ

বিএনপি মহাসচিব ফখরুলের মন্তব্যে গণতন্ত্রের উত্তরণে চক্রান্তের অভিযোগ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঙ্গলবার সকাল গুলশানের চেয়ারপারসনের অফিসে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি গোষ্ঠী ‘ভয়ঙ্কর চক্রান্ত’ চালাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান সময়টি দেশের রাজনৈতিক রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, যেখানে নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠন প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ফখরুলের মতে, বাংলাদেশ সম্প্রতি একটি ‘ফ্যাসিস্ট শাসন’ থেকে বেরিয়ে এসেছে, যা দেশের নৈতিক মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক সংস্থা এবং অর্থনীতিকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি ঐ শাসনকে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করে, তার অবসানকে দেশের পুনর্গঠনের সূচনা হিসেবে তুলে ধরেন।

এখন দেশের মুখে আসা নির্বাচনের পর, নির্বাচিত পার্লামেন্ট ও সরকারকে জাতির সঠিক পথে অগ্রসর করার দায়িত্ব দেওয়া হবে, এটাই ফখরুলের প্রত্যাশা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই প্রত্যাশা পুরো জনগণ ভাগ করে নিচ্ছে এবং নতুন শাসনকে দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছে।

তবে তিনি সতর্ক করেন, কিছু ব্যক্তিগত গোষ্ঠী ও মহল এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে ‘ভয়ঙ্কর চক্রান্ত’ গড়ে তুলছে। ফখরুলের বক্তব্যে এই গোষ্ঠীর পরিচয় স্পষ্ট করা হয়নি, তবে তিনি ইঙ্গিত দেন যে তারা রূপান্তরের পথে বাধা সৃষ্টি করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

সম্মেলনে তিনি ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান বিন হাদির কথা উল্লেখ করে, হাদির আত্মার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যে হাদিকে স্বর্গের সর্বোচ্চ স্থান প্রদান করা হোক। ফখরুলের এই মন্তব্যে রাজনৈতিক বিরোধী গোষ্ঠীর প্রতি সম্মান ও সমবেদনা প্রকাশ পায়।

ফখরুলের মন্তব্যের পটভূমি হল দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে চলমান উত্তেজনা, যেখানে শাসনকালীন নীতি ও বিরোধী দলের দাবি পারস্পরিকভাবে টানাপোড়েন সৃষ্টি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান ট্রানজিশনাল সময়ে দেশের শাসন কাঠামো পুনর্গঠন এবং গণতান্ত্রিক নীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

বিএনপি এই সময়ে ধারাবাহিকভাবে শাসনকালের নীতি ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে আসছে। ফখরুলের এই মন্তব্যকে দলীয় নেতৃত্বের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে, যা নির্বাচনের পূর্বে বিরোধী শক্তির সমর্থন জোরদার করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করেন, যদি নির্বাচনের পর নতুন সরকার স্থিতিশীলভাবে গঠন হয় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে চালু হয়, তবে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে স্বাভাবিকতা ফিরে আসতে পারে। অন্যদিকে, ফখরুলের উল্লেখিত ‘চক্রান্ত’ যদি বাস্তবে কার্যকর হয়, তবে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও পরবর্তী শাসনকে অস্থির করতে পারে। এই দিক থেকে দেশের নিরাপত্তা ও আইনি কাঠামোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

সামগ্রিকভাবে, ফখরুলের বক্তব্য দেশের বর্তমান রাজনৈতিক রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে। তিনি গণতন্ত্রের উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রতি সতর্কতা প্রকাশের পাশাপাশি, নির্বাচনের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সরকার গঠনের প্রত্যাশা পুনর্ব্যক্ত করেন।

৯০/১০০ ২টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments