শাহিদ কাপুরের সঙ্গে ভিসাল ভারদ্বাজের চতুর্থ যৌথ প্রকল্প ‘ও রোমিও’ শেষের শুটিং পর্যায়ে পৌঁছেছে। শেষের শুটিং দিকটি ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১০ দিন পর্যন্ত চলবে এবং মুম্বাইয়ের মালাদের ভ্রুন্দাবন স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হবে। নতুন বছরের ছুটি না নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই প্যাচ শুটিংয়ে মূলত অ্যাকশন সিকোয়েন্স এবং দীর্ঘ সংলাপের দৃশ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। শুটিংয়ের প্রথম দুই দিন প্রধানত শাহিদ কাপুরের অংশের ওপর কেন্দ্রীভূত হবে, আর সহ-অভিনেত্রী ত্রিপ্তি দিম্রি ও রন্দীপ হুডা এই সময়ে উপস্থিত থাকবেন না।
নতুন বছরের পরের প্রথম সপ্তাহে শুটিং পুনরায় শুরু হবে এবং জানুয়ারি ২০২৬-এ অতিরিক্ত আট দিনের শুটিং পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই পর্যায়ে ভিড়ের দৃশ্য এবং বডি ডাবল ব্যবহার করে বিভিন্ন দৃশ্য তৈরি করা হবে। প্রয়োজন হলে অভিনেতাদের এক বা দুই দিন অতিরিক্ত শুটিংয়ের জন্য ডাকা হতে পারে।
ফিল্মের পোস্ট-প্রোডাকশন কাজ ইতিমধ্যে চলমান, যাতে নির্ধারিত মুক্তির তারিখে কোনো বিলম্ব না হয়। চলচ্চিত্রটি ফেব্রুয়ারি ১৩ তারিখে মুক্তি পাবে বলে জানানো হয়েছে, পাশাপাশি ভ্যালেন্টাইন ডে ২০২৬-এও প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রযোজক সজিদ নাদিয়াদওলা নাদিয়াদওলা গ্র্যান্ডসন এন্টারটেইনমেন্টের তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্পটি তৈরি হচ্ছে। চলচ্চিত্রটি ভিজ্যুয়ালি সমৃদ্ধ, উচ্চ গতির অ্যাকশন থ্রিলার হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে রোমান্সের সুত্রও দৃঢ়ভাবে বুনে আছে।
‘ও রোমিও’তে অভিজ্ঞ অভিনেতা নানা পাটেকরের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্য। তার উপস্থিতি ছবির নাট্যগত তীব্রতা বাড়িয়ে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুটিংয়ের এই শেষ পর্যায়ে দলটি দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে চলচ্চিত্রটি সময়মতো মুক্তি নিশ্চিত করতে চায়। মুম্বাইয়ের স্টুডিওতে পরিচালিত এই শুটিংটি শহরের চলচ্চিত্র শিল্পের ব্যস্ততা ও দক্ষতা প্রদর্শন করে।
প্রকল্পের সময়সূচি অনুযায়ী, শুটিং শেষের পর পোস্ট-প্রোডাকশন টিম দ্রুত এডিটিং, ভিএফএক্স এবং সাউন্ড মিক্সিং কাজ সম্পন্ন করবে, যাতে ফেব্রুয়ারি মাসে দর্শকের সামনে একটি পরিপূর্ণ পণ্য উপস্থাপন করা যায়।
‘ও রোমিও’কে ২০২৬ সালের অন্যতম বড় রিলিজ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে, এবং চলচ্চিত্রের ভক্তরা শীঘ্রই বড় পর্দায় এই নতুন রোম্যান্স-অ্যাকশন মিশ্রণ দেখতে পাবেন।
শুটিংয়ের সময়সূচি ও পরিকল্পনা সম্পর্কে জানানো তথ্যগুলো চলচ্চিত্রের প্রচারমূলক কৌশলকে সমর্থন করে, যা দর্শকদের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলবে।
এই প্রকল্পের সফল সমাপ্তি ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের সাম্প্রতিক বছরগুলোর স্লিপার হিটের ধারাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



