সোমবার দুপুরে চুয়াংদা চেম্বার ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে চুয়াংদা‑২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চ্যাপ্টার সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তার নির্বাচনী পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে চুয়াংদা জেলায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবেন এবং সমগ্র অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নে অবদান রাখতে চান।
মাহমুদ হাসান খান জোর দিয়ে বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত চুয়াংদা‑২ আসনের গ্রাম‑গ্রামকে উন্নয়নের দিক থেকে সমান সুযোগ দিতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তিনি আরও বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সরকার একটি স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দিকে কাজ করছে, যাতে দেশের জন্য সঠিক নেতৃত্বের নির্বাচন সম্ভব হয়।
প্রার্থী বলেন, জনগণের সিদ্ধান্তই চুয়াংদা‑২ আসনের সঠিক নেতৃত্ব নির্ধারণ করবে এবং তিনি নির্বাচিত হলে এই আসনকে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। তিনি এ কথায় জোর দেন যে, স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত নির্বাচনই দেশের উন্নয়নের ভিত্তি।
মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জীবননগর উপজেলা বিএনপি সিনিয়র সহ‑সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, চুয়াংদা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজিব হাসান কচি, সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সরদার আল আমিন, চুয়াংদা জেলা প্রেসক্লবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মানিক আকবর, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সেলিম এবং দৈনিক “সময়”ের সমীকরণ‑এর প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এই সভা প্রার্থীকে তার নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা যায় এবং তাদের প্রত্যাশা জানার সুযোগ তৈরি হয়। উপস্থিত সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে ধরেন, যার উত্তরে মাহমুদ হাসান খান স্বচ্ছতা, উন্নয়ন ও দুর্নীতিমুক্তি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে, চুয়াংদা অঞ্চলে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও তাদের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, ফলে আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাত্রা বাড়ছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি বিশেষ করে কৃষিকাজে নির্ভরশীল গ্রামীণ ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, যা নির্বাচনী গতিবিধিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদনটি দেখায় যে, প্রার্থী তার নির্বাচনী মঞ্চে উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি স্বচ্ছ নির্বাচন ও দুর্নীতি দূরীকরণকে মূল অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরছেন, যা দেশের সামগ্রিক শাসনব্যবস্থার উন্নয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এই ধরনের প্রকাশনা ও জনসাধারণের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথকে গঠন করবে, বিশেষ করে যখন দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের চাহিদা বাড়ছে।
সামগ্রিকভাবে, মাহমুদ হাসান খানের এই বক্তব্য চুয়াংদা‑২ আসনের নির্বাচনী পরিসরে একটি স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে, যা নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায়ে তার রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে।



