19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকর্ণাটকের ধরওয়াতে অন্তঃসত্ত্বা তরুণীর পারিবারিক হিংসা, পিতার হাতে মৃত্যু

কর্ণাটকের ধরওয়াতে অন্তঃসত্ত্বা তরুণীর পারিবারিক হিংসা, পিতার হাতে মৃত্যু

রবিবার, কর্ণাটক রাজ্যের ধরওয়াত জেলার হুব্বল্লি তালুকের ইনাম বীরাপুর গ্রামে ২০ বছর বয়সী মান্য ধোড্ডামানির মৃত্যু ঘটেছে। তার পিতা ও তিনজন আত্মীয়কে লোহার পাইপ দিয়ে আক্রমণ করার পর, মান্য গুরুতর আঘাত পেয়ে হুব্বল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসার পরেও মৃত্যুবরণ করেন।

মান্য লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের সদস্য এবং বিবেকানন্দ তফসিলি জাতিভুক্তের সঙ্গে তার বিবাহের পর পারিবারিক বিরোধ তীব্র হয়ে ওঠে। কয়েক বছর আগে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানা যায়, তবে বিবাহের পর মান্য ও তার স্বামীকে পরিবারিক হুমকি ও গৃহহিংসার শিকার করা হয়।

হুব্বল্লি গ্রামীণ পুলিশের মতে, মান্যের পিতা প্রকাশগৌড়া, তার সঙ্গে পাতিল পরিবার থেকে বীরানগৌড়া ও অরুণগৌড়া নামের দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা মান্যকে লোহার পাইপ দিয়ে আক্রমণ করে, একই সময়ে তার শাশুড়ি রেণাভ্বা ও আত্মীয় সুভাষকেও আঘাত করে।

ঘটনার দিন, মান্য একটি খামারে কাজ করছিলেন। কাজের সময়ই তার পিতা ও আত্মীয়রা লোহার পাইপ ব্যবহার করে তাকে মারধর করে। শাশুড়ি ও আত্মীয়ের হস্তক্ষেপে তারা নিজেও আঘাতপ্রাপ্ত হন।

আক্রমণের পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পুলিশকে জানানো হয়। আহত মান্য, শাশুড়ি ও আত্মীয়কে হুব্বল্লির বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। মান্যকে জরুরি চিকিৎসা সত্ত্বেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, অন্য দুইজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়।

অভিযুক্তদের মধ্যে বিবেকানন্দ তফসিলি ও তার ভাইও আক্রমণের লক্ষ্য ছিল। তবে তারা আক্রমণের সময় বাইরে ছিলেন এবং পরে পালিয়ে গিয়ে থানায় আশ্রয় নেন।

হুব্বল্লি গ্রামীণ পুলিশ এই ঘটনার ওপর ভিত্তি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্তের অংশ হিসেবে, মান্য ও তার স্বামী ৮ ডিসেম্বর পুনরায় ইনাম বীরাপুর গ্রামে কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য ফিরে আসেন; এ সময়ই হিংসা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশের মতে, মান্য ও বিবেকানন্দের বিবাহের পর পরিবারিক সদস্যদের দ্বারা হুমকি ও গৃহহিংসা বাড়ে। বিশেষ করে মান্যের পরিবার বিবেকানন্দের বাড়িতে আগুন জ্বালানোর হুমকি দেয় বলে অভিযোগ উত্থাপিত হয়।

এই ঘটনার পেছনে আন্তঃসামাজিক বিবাহের বিরোধ ও পারিবারিক গর্বের সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে। আইন অনুযায়ী, আন্তঃসামাজিক বিবাহে পারিবারিক হিংসা অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য, এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

অধিক তদন্তে হিংসার সুনির্দিষ্ট কারণ, ঘটনার সময়ের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ও সংশ্লিষ্ট সকলের বিবরণ যাচাই করা হবে। তদন্তের অগ্রগতি ও আদালতের রায়ের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনার ফলে স্থানীয় সমাজে আন্তঃসামাজিক বিবাহের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ও পারিবারিক গঠন নিয়ে পুনর্বিবেচনা শুরু হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি এই ধরনের হিংসা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সঠিক আইনি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

বিবেকানন্দ তফসিলি ও তার পরিবারকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে, এবং তারা বর্তমানে পুলিশের তত্ত্বাবধানে আছেন। মামলার অগ্রগতি ও বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আপডেটের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments