মুম্বাইতে সানবার্ন ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণের পথে নোরা ফাতেহি একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন। একই সময়ে মদ্যপ চালক তার গাড়িতে ধাক্কা মারায়, ফলে তার গাড়ি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এই ঘটনার ফলে নোরা কনকাশন এবং সামান্য আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
দুর্ঘটনা ঘটার সময় নোরা ডি.জি. গুইটা সহ ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। মদ্যপ চালকের অপ্রত্যাশিত গতি তার গাড়িকে ধাক্কা দেয়, ফলে গাড়ি হঠাৎ থেমে যায় এবং নোরা গাড়ির ভিতরে নিক্ষিপ্ত হন। তার মাথা জানালায় আঘাত পায় এবং তীব্র মাথাব্যথা অনুভব করেন।
দুর্ঘটনার পরপরই নোরা’র টিম তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে সিটি স্ক্যান করা হয় যাতে কোনো অভ্যন্তরীণ রক্তপাত নেই তা নিশ্চিত করা যায়। স্ক্যানের ফলাফল দেখায় কনকাশন এবং হালকা ফোলা, তবে গুরুতর কোনো আঘাত পাওয়া যায়নি। ডাক্তাররা বিশ্রাম ও পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন।
নোরা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়ে দেন যে তিনি জীবিত ও সুস্থ। তিনি বলেন, “আমি ঠিক আছি, শুধু সামান্য ফোলা ও কনকাশন আছে।” তিনি তার দ্রুত সেরে ওঠার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং উল্লেখ করেন যে এই দুর্ঘটনা মারাত্মকভাবে শেষ হতে পারত।
দুর্ঘটনার সময় তার গাড়ি ধাক্কা খেয়ে নিক্ষিপ্ত হওয়ায় নোরা জানালায় মাথা আঘাত করেন। তিনি জানান, “গাড়ি ধাক্কা খাওয়ার পর আমি জানালায় মাথা ধাক্কা খেয়েছি, তবে ভাগ্যক্রমে বড় কোনো ক্ষতি হয়নি।” এই ঘটনার ফলে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে কিছুটা অস্থির বোধ করেন।
নোরা অ্যালকোহল ও মাদকদ্রব্যের প্রতি তার বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “আমি কখনোই অ্যালকোহল বা মাদক পছন্দ করিনি, এবং এ ধরনের আচরণকে আমি সমর্থন করি না।” তার এই বক্তব্যের পেছনে এই দুর্ঘটনা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা রয়েছে।
তিনি মদ্যপ চালকের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দেন। “২০২৫ সালে এখনও কেউ মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছেন, এটা অগ্রহণযোগ্য,” তিনি জোর দিয়ে বলেন। তিনি আশাবাদী যে এই ঘটনা মানুষকে মদ্যপ চালনার বিপদ সম্পর্কে সচেতন করবে।
নোরা উল্লেখ করেন, “যদি আমি সেই মুহূর্তে না থাকতাম, হয়তো ফলাফল ভিন্ন হতো।” তিনি তার জীবনের মূল্যায়ন করে বলেন, “প্রতিটি মুহূর্তের গুরুত্ব আছে, এবং নিরাপদে গাড়ি চালানো আমাদের সবার দায়িত্ব।”
দুর্ঘটনার ফলে তার কাজের সময়সূচি কিছুদিনের জন্য থেমে যায়। তবে তিনি শীঘ্রই পুনরায় স্টেজে ফিরে আসার পরিকল্পনা করছেন, বিশেষ করে সানবার্ন ফেস্টিভ্যালে তার পারফরম্যান্সের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
দ্রুতগতি ও মদ্যপ চালনা এখনও দেশের অনেক অংশে বড় সমস্যা। নোরা’র অভিজ্ঞতা এই বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যাতে জনগণ নিরাপদ গাড়ি চালনার গুরুত্ব বুঝতে পারে।
শেষে নোরা সকলকে নিরাপদ গাড়ি চালানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনার এবং অন্যদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীলভাবে গাড়ি চালান।” তার সুস্থতা ও দ্রুত পুনরুদ্ধার কামনা করে সবাই তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে।



