27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল রাকসু জিএস সালাহউদ্দিনের হুমকিমূলক মন্তব্যকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে গণ্য...

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল রাকসু জিএস সালাহউদ্দিনের হুমকিমূলক মন্তব্যকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে গণ্য করেছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাকসু (রাকসু) গত রোববার রেকর্ড করা একটি বিবৃতিতে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের আচরণকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। দলটি দাবি করেছে যে, তার প্রকাশিত মন্তব্যগুলো ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং অশান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

বিবৃতিটি রাকসু শাখা ছাত্রদলের সহদপ্তর সম্পাদক সিয়াম বিন আইয়ুবের স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয় এবং এতে গৃহীত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে। দলটি জানিয়েছে যে, সালাহউদ্দিনের প্রকাশিত বক্তব্যগুলো শিক্ষকদের এবং প্রশাসনিক কর্মীদের প্রতি হুমকি স্বরূপ এবং সেগুলোকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের শিরোনামে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

সালাহউদ্দিন আম্মার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ” নামের গ্রুপে একাধিক পোস্ট প্রকাশ করে ছিলেন। ওই পোস্টগুলোতে তিনি আওয়ামীপন্থী ডিনদের পদত্যাগের সময় বেঁধে রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং ডিনদের চেয়ারে বসে দেখলে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার ইঙ্গিত দেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যদি ডিনদের চেয়ার দেখা যায় তবে “বাকিটা বুঝিয়ে দেব” বলে হুঁশিয়ারী দেন।

এর পাশাপাশি, তিনি এক পোস্টে উল্লেখ করেন যে, যদি কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা “আওয়ামী ফ্যাসিবাদ” সমর্থন করে চাকরি গ্রহণ করেন, তবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বেঁধে রাখার কথা বলেছিলেন। এই ধরনের প্রকাশনা শিক্ষকমণ্ডলীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।

রাকসু শাখা ছাত্রদল এই মন্তব্যগুলোকে হুমকিমূলক এবং অশোভন আচরণ হিসেবে চিহ্নিত করে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশের বিরোধী। দলটি জোর দিয়ে বলেছে যে, একজন ছাত্র বা ছাত্রনেতা হিসেবে শিক্ষকদের সঙ্গে এমন মারমুখী ও অশোভন আচরণ করা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সমতুল্য।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে “তালা ঝোলানো” সংস্কৃতি এবং ফ্যাসিবাদের স্মরণীয় মন্তব্যগুলো শিক্ষকমণ্ডলীর মর্যাদা হ্রাস করেছে। অতীতে কিছু শিক্ষক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে লাঞ্ছনামূলক ঘটনা ঘটেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবে রয়ে গেছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. সৈয়দ শামসুজ্জোহার ঐতিহাসিক বিদ্যাপীঠের নাম উল্লেখ করে দলটি জানিয়েছে যে, মব-সন্ত্রাসী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কোনো প্রচেষ্টা যদি শিক্ষকদের লাঞ্ছন করে, তবে শাখা ছাত্রদলের সব স্তরের নেতা ও কর্মী তা শক্তভাবে প্রতিহত করবে। দলটি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

দলটি দাবি করেছে যে, যদি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকে, তবে দেশের প্রচলিত আইনের অধীনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হুমকি ও হিংসা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে এবং ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ব্যবহারিক পরামর্শ হল, ক্যাম্পাসে কোনো হুমকি বা অনুপযুক্ত মন্তব্যের মুখোমুখি হলে তা তৎক্ষণাত্‍ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো এবং শান্তিপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খোঁজা। শিক্ষার পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখতে সকলেরই দায়িত্ব রয়েছে, বিশেষ করে যখন মতবিরোধের মুহূর্তে শালীনতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments