19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধধর্মীয় পরামর্শদাতা বলেন দৈনিক স্টার ও প্রথম আলোতে অগ্নিকাণ্ডের সন্দেহভাজন চিহ্নিত

ধর্মীয় পরামর্শদাতা বলেন দৈনিক স্টার ও প্রথম আলোতে অগ্নিকাণ্ডের সন্দেহভাজন চিহ্নিত

ঢাকা, ২২ ডিসেম্বর – ধর্মীয় বিষয়ক পরামর্শদাতা এএফএম খালিদ হোসেন আজ সরকারি সেক্রেটারিতে সাংবাদিকদের সামনে জানিয়েছেন যে, দৈনিক স্টার ও প্রথম আলোর অফিসে ১৯ ডিসেম্বর রাতের আক্রমণে জড়িত কয়েকজন সন্দেহভাজন ইতিমধ্যে সনাক্ত করা হয়েছে। সনাক্তকরণের পর দ্রুত গ্রেপ্তারী কার্যক্রম চালু করা হবে বলে তিনি জানান।

পরামর্শদাতা উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকা প্রস্তুত হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। গ্রেপ্তারী পদক্ষেপের পাশাপাশি তদন্ত দলকে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সময়ে, বালুকা উপজেলার গার্মেন্টস কর্মী দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে তিনি ঘটনাটিকে ‘নৃশংস’ বলে বর্ণনা করেন। দাসকে হিংস্রভাবে মারধর করে আগুনে পুড়িয়ে মারা যাওয়া ঘটনাটি স্বৈরাচারী ন্যায়বিচারের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানকে তুলে ধরে।

পরামর্শদাতা জোর দিয়ে বলেন, সরকার কোনো ব্যক্তিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইন প্রয়োগের অনুমতি দেবে না এবং ন্যায়বিচার ছাড়া কোনো কাজকে সহ্য করা হবে না। এই নীতি দেশের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় মৌলিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।

ঢাকায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানাটের ওপর আক্রমণ সম্পর্কেও তিনি মন্তব্য করেন। প্রতিষ্ঠানকে অগ্নিকাণ্ডের শিকার করা এবং মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা উভয়ই ‘অন্যায়’ এবং ‘অগ্রহণযোগ্য’ কাজ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারী প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, অপরাধীকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে এবং আইনের শাসন বজায় রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

১৯ ডিসেম্বর রাতের আক্রমণটি পরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে পরিচালিত হয়। অগ্নিকাণ্ডের ফলে দৈনিক স্টার ও প্রথম আলোর প্রধান অফিসে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটায়, যার ফলে দুইটি সংবাদপত্রের প্রকাশনা কার্যক্রম একদিনের জন্য বন্ধ করতে হয়।

পরবর্তী দিন, ২০ ডিসেম্বর, উভয় পত্রিকাই প্রকাশনা বন্ধের ঘোষণা দেয়। তবে ২১ ডিসেম্বর বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের পর পুনরায় প্রকাশনা চালু করে, যদিও অফিসের কাঠামো এখনও ধ্বংসাবশেষে পরিণত।

অফিসের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে অগ্নিকাণ্ডের চিহ্ন স্পষ্টভাবে দেখা যায়; গ্লাস ভেঙে গেছে, ডেস্ক ও কম্পিউটার সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। কর্মীরা অস্থায়ীভাবে ভাড়া করা স্থান থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, আক্রমণের পেছনে গোপনীয় গোষ্ঠীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে এবং তদন্তে ফরেনসিক বিশ্লেষণ, সিসিটিভি রেকর্ড এবং সাক্ষী বিবৃতি সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, অগ্নিকাণ্ড, সম্পত্তি ধ্বংস এবং মানুষের প্রাণহানি সবই দণ্ডনীয় অপরাধের আওতায় পড়ে। সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী, অপরাধীকে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তি দেওয়া সম্ভব।

পরামর্শদাতা উল্লেখ করেন, তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে সময়ে সময়ে তথ্য প্রকাশ করা হবে এবং জনগণকে সঠিক তথ্য প্রদান করা হবে। সরকারী সংস্থা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয়ে দ্রুত এবং ন্যায়সঙ্গত বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এই ঘটনার পর, নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা এবং মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। সরকারী দপ্তর সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে যে, ভবিষ্যতে এ ধরনের আক্রমণ রোধে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গৃহীত হবে।

সামগ্রিকভাবে, ধর্মীয় পরামর্শদাতার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, অপরাধী সনাক্তকরণ, গ্রেপ্তার এবং শাস্তি প্রদানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, এবং দেশের আইন শাসন বজায় রাখতে কোনো ধরনের স্বৈরাচারী কাজকে সহ্য করা হবে না।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments