রবিবার সন্ধ্যায় ভিলাররিয়েলের ঘরে অনুষ্ঠিত লা লিগা ম্যাচে বার্সেলোনা ২-০ স্কোরে জয়লাভ করে। রাফিনহা এবং লামিন ইয়ামাল দুজনই গোল করে দলকে বিজয়ী করে তুলেছেন, আর ভিলাররিয়েল প্রথমার্ধের শেষের দিকে রেনাটো ভেইগার সরাসরি লাল কার্ডের ফলে দশজন খেলোয়াড়ে রয়ে যায়।
ম্যাচের মাত্র ১২তম মিনিটে রাফিনহা পেনাল্টি থেকে গোল করেন। ভিলাররিয়েলের সান্তি কোমেসানা তার পিঠ দিয়ে রাফিনহার দৌড় বাধা দেয়ার পর রেফারির সিদ্ধান্তে পেনাল্টি প্রদান করা হয়, এবং ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার শান্তভাবে বলটি জালে পাঠায়।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে ভিলাররিয়েলের রেনাটো ভেইগা লামিন ইয়ামালের ওপর অপ্রত্যাশিত ট্যাকল করেন। ভেইগা ফুটে সরাসরি ইয়ামালের পা ধরা দিয়ে ফাউল করেন, ফলে রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। ইয়ামালকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় এবং অর্ধঘণ্টা বিরতির পর তিনি আবার মাঠে ফিরে আসেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বার্সেলোনার আক্রমণ বাড়ে, এবং ৬৩তম মিনিটে লামিন ইয়ামাল দ্বিতীয় গোলের মালিক হন। বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের একাধিক শটের পর বলটি রিবাউন্ডে ফিরে আসে, এবং ইয়ামাল দ্রুত পা বাড়িয়ে বলটি জালে পাঠায়। এই গোলটি দলকে দুই গোলের সুবিধা দেয়।
ভিলাররিয়েল দশজন খেলোয়াড়ে রয়ে যাওয়া সত্ত্বেও প্রতিরোধে লড়াই চালিয়ে যায়। তাদের আক্রমণকারী জর্জেস মিকাউতাদজে দুবার শট করেন, কিন্তু বার্সেলোনার গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া উভয় শটই চমৎকার সেভ দিয়ে থামিয়ে দেন। তৃতীয় শটটি শেষ পর্যন্ত দিকভ্রান্ত হয়ে যায়।
ম্যাচের শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনা দৃঢ় প্রতিরক্ষা বজায় রাখে এবং শূন্য গোলের পরিষ্কার শিট বজায় রাখে। রাফিনহা ও ইয়ামালের গোলের পাশাপাশি দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সই জয়ের মূল কারণ। এই জয় দিয়ে বার্সেলোনা লা লিগার শীর্ষে অবস্থান বজায় রাখে।
অন্যদিকে, এটলেটিকো মাদ্রিদ গিরোনায় ৩-০ স্কোরে জয়লাভ করে। কোকে এবং কনর গ্যালাহার প্রথমার্ধে একে একে গোল করেন, আর প্রতিস্থাপিত অঁতোয়ান গ্রিজমান শেষ সময়ে অতিরিক্ত সময়ে তৃতীয় গোলের মাধ্যমে দলকে ত্রয়ী করে। এই জয় দিয়ে এটলেটিকো মাদ্রিদ চারটি ধারাবাহিক জয় অর্জন করে এবং সব প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক জয় বজায় রাখে।
বার্সেলোনার এই জয় এবং এটলেটিকোর ধারাবাহিক জয় উভয়ই স্প্যানিশ ফুটবলের শীর্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়িয়ে তুলেছে। উভয় দলই পরবর্তী ম্যাচে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে।



