20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচন তফসিলের পর শুটিংয়ে নিহত প্রার্থী, তিনশ প্রার্থীরাও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ

নির্বাচন তফসিলের পর শুটিংয়ে নিহত প্রার্থী, তিনশ প্রার্থীরাও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ

জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শারিফ ওসমান বিন হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান, ফলে তিনশের বেশি সংসদীয় প্রার্থীরাও নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

শারিফ ওসমান বিন হাদি ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে গুলি হন। আহত অবস্থায় তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা গ্রহণ করেন, তবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়। গত শনিবার তার শেষকৃত্য সংবর্ধনা ও দাফন অনুষ্ঠিত হয়।

হাদির মৃত্যুর পরপরই জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে এই ঘটনার ওপর মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, তফসিল ঘোষণার ঠিক পরদিনই একজন প্রার্থীকে গুলি করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি সমন্বিত পরিকল্পনার অংশ।

পরওয়ার বলেন, “এটি কোনো একক ঘটনা নয়, প্যাকেজ প্রোগ্রাম হিসেবে চালু হয়েছে এবং সম্ভবত আরও সিরিয়াল হত্যা ঘটতে পারে।” তিনি আরও যোগ করেন, হাদির পর জুলাই যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে কোন কোন ব্যক্তি টার্গেট করা হচ্ছে, তা নিয়ে জাতি উদ্বিগ্ন।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত তিনশের বেশি প্রার্থীরাও নিরাপত্তা নিয়ে একই উদ্বেগ ভাগ করে নেন। তারা সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হিংসা ও হুমকি দূর করা যায়।

গোলাম পরওয়ার নির্বাচনের তফসিলের পর গুলিবিদ্ধ হওয়া ঘটনাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের “বিচ্ছিন্ন ঘটনা” বলে মন্তব্যের ওপর কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “এ ধরনের ঘটনা লজ্জাজনক এবং তফসিলের পর এক প্রার্থীর ওপর গুলি করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে না।”

এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, এখন ল’ এনফোর্সিং এজেন্সি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের হাতে, এবং উভয়েরই দায়িত্ব এ ধরনের হিংসা রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া। দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তিনি জোর দেন।

পরওয়ারের মতে, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন ও রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ নীতি ব্যবহার করে ফ্যাসিস্ট শক্তি পুনরায় প্রবেশ করিয়ে জাতিকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, তা জনগণ মেনে নেবে না। তিনি হাদির জানাজায় তার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করার দাবি পুনরায় তুলে ধরেন।

এই ঘটনার পর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, নির্বাচনের আগে এমন হিংসা বৃদ্ধি পেলে ভোটারদের অংশগ্রহণ ও প্রার্থীদের স্বেচ্ছা প্রত্যাহার প্রভাবিত হতে পারে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী না হলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।

সরকারি পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়নি, তবে পরওয়ার ও অন্যান্য প্রার্থীরা দাবি করছেন যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে নির্বাচনী পরিবেশে হিংসা আর পুনরাবৃত্তি না হয়।

এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন ও নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত কাজের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট, যাতে সকল প্রার্থী ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments