19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষামো. হোসাইন জকসু নির্বাচনে প্রার্থী, বোতল নিক্ষেপের ঘটনা থেকে জনপ্রিয়তা

মো. হোসাইন জকসু নির্বাচনে প্রার্থী, বোতল নিক্ষেপের ঘটনা থেকে জনপ্রিয়তা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের জন্য ‘কার্যনির্বাহী সদস্য’ পদে ৫১ নম্বর ব্যালট নিয়ে মো. হোসাইন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরের এক প্রতিবাদে পূর্বে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের মাথায় বোতল নিক্ষেপ করে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন।

মো. হোসাইন জবির অর্থনীতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তিনি সেই সময়ে যমুনা নদীর তীরে অনুষ্ঠিত একটি প্রতিবাদে অংশ নেন, যেখানে তিনি এক মুহূর্তে আলমের দিকে বোতল ছুঁড়ে ফেলেন। ঘটনাটি ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং দ্রুতই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার হয়ে ভাইরাল হয়।

বহু শিক্ষার্থী ও সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহারকারী এই ঘটনার পর হোসাইনের নাম জানেন, যদিও তিনি আগে কোনো রাজনৈতিক বা ছাত্র নেতৃত্বের পদে ছিলেন না। তার এই অপ্রত্যাশিত কাজের ফলে তিনি ক্যাম্পাসের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় পেয়ে যান, যা এখন তার নির্বাচনী প্রচারে প্রভাব ফেলছে।

হোসাইন জানিয়েছেন, তিনি কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষী রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের দাবি ও সমস্যার সমাধানে নিজেকে রাজপথে রেখেছেন। তিনি জকসু নির্বাচনে জয়লাভের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করতে চান এবং ভবিষ্যতেও এ দায়িত্ব বজায় রাখতে ইচ্ছুক।

প্রচারণা চলাকালীন হোসাইনের লিফলেটে বোতলের আকারের একটি প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে, যা তার পূর্বের কর্মকাণ্ডের স্মারক হিসেবে কাজ করে। এই চিত্রটি কিছু শিক্ষার্থীর কাছে সাহসের নিদর্শন হিসেবে দেখা যায়, আর অন্যরা মনে করে একক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নেতৃত্বের যোগ্যতা নির্ধারণ করা যথাযথ নয়।

ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কোণায় হোসাইনের প্রচারমূলক দল সক্রিয়ভাবে পোস্টার ও প্যামফলেট বিতরণ করছে। কিছু ছাত্র তাকে ‘সাহসী’ বলে সমর্থন জানিয়ে ভোট দিতে ইচ্ছুক, তবে অন্যরা নেতৃত্বের গুণাবলি, কৌশলগত চিন্তা ও মেধার গুরুত্বকে অধিকতর প্রাধান্য দিচ্ছেন।

জবির জকসু নির্বাচন দীর্ঘদিনের পর আবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, ফলে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা, বিতর্ক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্যাম্পেইন কার্যক্রম চলমান, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়িয়ে তুলছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা ভোটদান প্রক্রিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে এবং কোনো অনিয়মের ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

এই নির্বাচন শুধুমাত্র একক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সমষ্টিগত চাহিদা ও প্রত্যাশা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। হোসাইনের মতো নতুন মুখের অংশগ্রহণ ছাত্র সংসদের বৈচিত্র্য বাড়াতে পারে।

আপনার ক্যাম্পাসে যদি কোনো নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলমান থাকে, তবে ভোট দেওয়ার আগে প্রার্থীদের নীতি, কর্মদক্ষতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিশ্লেষণ করুন। আপনার ভোটই হবে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষার মূল হাতিয়ার।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments