20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeস্বাস্থ্যমুন্সীগঞ্জের নাজমা বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ১০,০০০ টাকার জরিমানা

মুন্সীগঞ্জের নাজমা বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ১০,০০০ টাকার জরিমানা

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার সদর হাসপাতাল রোডে অবস্থিত নাজমা বেকারিতে ২১ ডিসেম্বর রবিবার দুপুর দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করার জন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয় ১০,০০০ টাকার জরিমানা আরোপ করে।

পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, বেকারির কর্মস্থলে ধুলো, ময়লা এবং অপরিষ্কৃত সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছিল, যেখানে কেক, বিস্কুট, পাউরুটি ইত্যাদি পণ্য তৈরি করা হচ্ছিল। এই ধরনের পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত করা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

বেকারির ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হাসানকে সরাসরি জরিমানা করা হয় এবং তাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। জরিমানা পরিশোধের পরও, বেকারিকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এই অভিযানটি তদারকি করেন এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা নূরে আলম সোহাগের সঙ্গে সমন্বয় করেন। এছাড়া, মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ থেকে একটি টিমও পরিদর্শনে অংশগ্রহণ করে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এধরনের অভিযান চালায়, যাতে গ্রাহকরা সুরক্ষিত ও স্বাস্থ্যকর পণ্য পেতে পারেন। এই ধরনের তদারকি ভোক্তা সুরক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নে সহায়তা করে।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করা বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে, যেমন খাদ্যজনিত সংক্রমণ, পেটের অস্বস্তি এবং দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর স্বাস্থ্যের সমস্যা। বিশেষ করে কেক ও পেস্ট্রি মতো উচ্চ চিনি ও চর্বিযুক্ত পণ্যের ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বেকারির জন্য কিছু মৌলিক নির্দেশনা রয়েছে: কর্মস্থল নিয়মিত পরিষ্কার করা, সরঞ্জাম ও পৃষ্ঠতল জীবাণুমুক্ত করা, কাঁচা উপাদান সংরক্ষণের জন্য সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখা এবং কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি প্রশিক্ষণ প্রদান করা।

ভোক্তাদের জন্যও কিছু সতর্কতা প্রয়োজন। খাবার কেনার সময় পণ্যের প্যাকেজিং, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং বিক্রেতার স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়া উচিত। সন্দেহজনক কোনো গন্ধ, রঙ পরিবর্তন বা অস্বাভাবিক টেক্সচার লক্ষ্য করলে তা না কিনেই ভালো।

এই ধরনের তদারকি কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানসম্পন্ন সেবা প্রদান করতে উদ্বুদ্ধ করা হয় এবং গ্রাহকের আস্থা বৃদ্ধি পায়। ভবিষ্যতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও জরিমানা ব্যবস্থা বজায় রাখলে অনুরূপ লঙ্ঘন কমে আসবে।

অবশেষে, স্থানীয় বেকারিগুলোকে আহ্বান জানানো হচ্ছে যে তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ছাড়া ব্যবসা চালিয়ে না যায়, যাতে গ্রাহকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি রোধ করা যায়। আপনার প্রিয় বেকারিতে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে আপনার কী অভিজ্ঞতা?

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
AI-powered স্বাস্থ্য content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments