নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ডেভন কনওয়ে এবং টম ল্যাথাম মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত টেস্টে দু’বার সেঞ্চুরি করে ২৫৩ বছরের টেস্ট ইতিহাসে একটি নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছেন। উভয়ই প্রথম ইনিংসে যথাক্রমে ২২৭ ও ১০০, দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৭ ও ১০১ রান সংগ্রহ করেন, ফলে একই ম্যাচে দুই ইনিংসে দু’জন ওপেনার সেঞ্চুরি করা প্রথম দল হয়ে ওঠে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের পিষ্ট করে নিউজিল্যান্ডের ওপেনাররা দুই ইনিংসে তিন অঙ্কের স্কোরে পৌঁছান, যা প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ১৭৭২ সাল থেকে কোনো দল অর্জন করেনি। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড ১৫৫ রানের লিড নেয়, এরপর দ্রুতই ২ উইকেটের সঙ্গে ৩০৬ রানে ইনিংস ঘোষণা করে, যার ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৪৬২ রানের লক্ষ্য দিতে হয়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং প্রথম দিন ৪৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৩ রানে শেষ হয়। চতুর্থ দিনে তারা ৬ উইকেটের সঙ্গে ৩৮১ রানে শেষ করে, তবে ইনিংসটি দীর্ঘ না হয়ে মাত্র ১৫.২ ওভারে ৩৯ রানের অতিরিক্ত যোগ করে।
নিউজিল্যান্ডের বোলার জ্যাকব ডাফি চারটি উইকেট নেন, যার মাধ্যমে তিনি এই বছর মোট ৭৬ উইকেট সংগ্রহ করে রিচার্ড হ্যাডলির ১৯৮৫ সালের ৭৯ উইকেটের পর সর্বোচ্চ রেকর্ডে পৌঁছেছেন। ডাফি এই মৌসুমে তিনটি সিরিজে অংশ নিয়ে এই সংখ্যা অর্জন করেছেন।
কনওয়ে ও ল্যাথাম ব্যাটিংয়ে ধীর সূচনা করলেও লাঞ্চের পর কনওয়ে দ্রুত রানের গতি বাড়িয়ে ৫০ রানে পৌঁছান, যখন ল্যাথামের স্কোর ১৬ রানে ৫১ রানে পৌঁছায়। কনওয়ের সেঞ্চুরি ১৩৬ রানে সম্পন্ন হয়, যা তার ৩২ টেস্টের ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
দুই ইনিংসে দু’জন ওপেনার সেঞ্চুরি করা এই রেকর্ডটি নিউজিল্যান্ডের টেস্ট ক্যারিয়ারে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দলটি জয় নিশ্চিত না করলেও ড্রয়ের আশায় শেষ মুহূর্তে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়েছে।
পরবর্তী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কোচ টিমের কৌশলগত সিদ্ধান্তের ওপর নজর থাকবে, বিশেষ করে ইনিংস ঘোষণা করার সময় এবং ব্যাটিং অর্ডারের পরিবর্তন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্যও ব্যাটিং লাইনআপে সমন্বয় এবং বোলিং পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ হবে, যাতে তারা লক্ষ্য স্কোরে পৌঁছাতে পারে।



