বাংলাদেশের একজন সাবেক কূটনীতিককে যুক্তরাজ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশ তাঁকে ১৬ ডিসেম্বর বার্মিংহামের সলিহুল এলাকা থেকে হামলা ও ধর্ষণের হুমকির অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
গত ২৭ মে মস্কোয় বাংলাদেশ দূতাবাসে অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সমস্যা সৃষ্টি ও সহকর্মীদের সঙ্গে অসংযত আচরণের অভিযোগে তাঁকে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ তথা তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁকে ঢাকায় ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ঢাকায় না গিয়ে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ব্যবহার করে যুক্তরাজ্যে চলে যান।
অভিযোগকারী বাসার মালিক পুলিশের কাছে এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, প্রায় তিন সপ্তাহ আগে বাসার একটি জানালার কাচ ভেঙে যায়। ভাড়াটিয়ার স্বামী হিসেবে তাঁকে জানালাটি মেরামতের ব্যবস্থা করতে বলেন এবং খরচ দেওয়ার কথাও জানান।
অভিযোগকারী আরও বলেন, এরপর বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি একাধিক রূঢ় ও হুমকিমূলক বার্তা পাঠান। ওই বার্তাগুলোতে বন্দুকের গুলি ও সহিংসতার ইঙ্গিত ছিল বলেও অভিযোগকারীর দাবি। পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠলে বিষয়টি প্রথমে তাঁর স্ত্রীকে এবং পরে পুলিশকে জানানো হয়।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগকারী নারীকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরবর্তী আদালতের শুনানি অপেক্ষা করছে এই মামলা। তদন্ত চলাকালীন সময়ে তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য এখনো আসেনি।
এই মামলার তদন্ত চলমান। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এই ঘটনার সত্যতা উদঘাটন করা হবে। এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



