কুড়িগ্রাম পৌরসভার আটজন সাবেক কমিশনার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেছেন। শনিবার সকালে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তারা বিএনপিতে যোগদান করেন।
বিএনপিতে যোগদানকারী সাবেক কমিশনারদের মধ্যে রয়েছেন আনিছুর রহমান, মোস্তফা কামাল, হারুনর রশিদ, আব্দুল মালেক, জমশেদ আলী টুংকু, সংরক্ষিত মহিলা কমিশনার সহিরন বেগম ও মুক্তা বেগম এবং হলোখানা ইউনিয়নের সাবেক কমিশনার মকবুল হোসেন।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান এবং সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ উপস্থিত ছিলেন। তারা নবাগতদের বিএনপির ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
বিএনপিতে যোগদানের পর নবাগতরা বিএনপির সদস্য ফরম পূরণ করেন। এ সময় কুড়িগ্রাম পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুল আলীম সভা সঞ্চালনা করেন।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক উমর ফারুক, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল হক রুবেল, জেলা বিএনপির সদস্য আলতাফ হোসেন ও আজিজুল হক এবং সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু হানিফ বিপ্লব বক্তব্য রাখেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাজ উদ্দিন কমিশনার, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আমিমুল ইহসানসহ জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বিএনপিতে যোগদানের ঘটনাটি কুড়িগ্রাম জেলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি বিএনপির জনযোগাযোগ বৃদ্ধির একটি লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিএনপির নেতারা বলছেন, তাদের দলে নতুন নেতাদের যোগদান দলের জনযোগাযোগ বৃদ্ধি করবে। তারা আরও বলছেন, বিএনপি এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে।
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা বলছেন, তাদের দলের নেতারা বিএনপিতে যোগদান করছেন তা তাদের জনযোগাযোগ হ্রাস করবে। তারা আরও বলছেন, তাদের দল এখনও শক্তিশালী আছে।
এই ঘটনাটি কুড়িগ্রাম জেলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি নতুন মোড় নিয়ে এসেছে। এটি দেখা যাচ্ছে, বিএনপি এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা তাদের দলের জনযোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য নতুন কৌশল অবলম্বন করবেন বলে মনে হচ্ছে।
এই ঘটনার পর কুড়িগ্রাম জেলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এটি দেখা যাচ্ছে, বিএনপি এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা তাদের দলের জনযোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য নতুন কৌশল অবলম্বন করবেন বলে মনে হচ্ছে।
এই ঘটনাটি কুড়িগ্রাম জেলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি দেখা যাচ্ছে, বিএনপি এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা তাদের দলের জনযোগাযোগ বৃ



