চট্টগ্রামের বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি) প্রথম আলো, ডেইলি স্টার এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন উদিচি ও ছায়ানটের অফিসে সংঘটিত হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ঢাকায় শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরের পর এসব হামলা শুরু হয়।
বিএসপিপি চট্টগ্রাম ইউনিটের সমন্বয়ক জাহিদুল করিম কচি ও সদস্য সচিব ড. খুরশিদ জামিল চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে এসব সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
পেশাজীবী পরিষদের নেতারা বলেছেন, এভাবে মিডিয়াকে আক্রমণ করা সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং এটি সরাসরি প্রেসের স্বাধীনতা ও জনগণের তথ্য অধিকারের পরাজয়।
তারা জোর দিয়েছেন, আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায় না স্বাধীন মিডিয়ার কণ্ঠ রোধ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পূর্বতন ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলেও মিডিয়াকে এভাবে দমন করা হয়েছিল।
ফ্যাসিবাদী শাসনের পতনের পরও মিডিয়ার উপর হামলা চলছে, এটা খুবই উদ্বেগজনক।
একটি বিষাদজনক ঘটনায়, এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি ও নিউ এজের সম্পাদক নুরুল কবিরকে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পরিদর্শনের সময় বিক্ষোভকারীরা হয়রানি করেছে।
পেশাজীবী পরিষদ এটাকে একটি নির্দিষ্ট স্বার্থপর শক্তির পরিকল্পিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
বিবৃতির শেষে, কর্তৃপক্ষকে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে এবং দেশব্যাপী সাংবাদিক ও মিডিয়া আউটলেটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, হাদির যুগ পর যুগ এই জাতির সঙ্গে থাকবে।
এই ঘটনার পর দেশব্যাপী সাংবাদিক ও মিডিয়া আউটলেটগুলো নিরাপত্তার দাবিতে সোচ্চার।
তারা কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছে যাতে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হয় এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতিও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
তারা কর্তৃপক্ষকে দাবি জানাচ্ছে যাতে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হয় এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
এই ঘটনার পর দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিও আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো কর্তৃপক্ষকে দাবি জানাচ্ছে যাতে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হয় এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
এই ঘটনার পর দেশের গণমাধ্যমও আরও সতর্ক হয়ে উঠেছে।
গণমাধ্যমগুলো কর্তৃপক্ষকে দাবি জানাচ্ছে যাতে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হয় এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
এই ঘটনার পর দেশের সাংবাদিকরা আরও একত্রিত হয়ে উঠেছে।
তারা কর্তৃপক্ষকে দাবি জানাচ্ছে যাতে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হয় এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলোও আরও সতর্ক হয়ে উঠেছে।
তারা কর্তৃপক্ষকে দাবি জানাচ্ছে যাতে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হয় এবং



