ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হাদির হত্যাকারীরা ইতিহাসে কাপুরুষ হিসেবে ঘৃণিত হয়ে থাকবে।
শুক্রবার এফডিসিতে কলেজ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আসন্ন নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আয়োজিত এক ছায়া সংসদে তিনি এ কথা বলেন। হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না।
হাদি হত্যাকাণ্ডের পর জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ প্রার্থীদের নিরাপত্তা প্রদানের দাবি উঠেছে। তাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর সরকার এসএসএফের মাধ্যমে তার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন.
হাসান কিরণ আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ৪০ শতাংশ তরুণ ভোটার। বিগত তিনটি নির্বাচনে তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। তরুণ ভোটাররাই আগামী নির্বাচনে জয়—পরাজয়ের বড় ফ্যাক্টর।
ছায়া সংসদে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লেখক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন সাংবাদিক কাজী হাফিজ, মো. আলমগীর হোসেন, জাকির হোসেন লিটন, কাজী জেবেল ও মো. আতিকুর রহমান।
ছায়া সংসদে ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজকে পরাজিত করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।
হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আগামী নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই রাজনৈতিক দলগুলো তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে।
হাদির হত্যাকাণ্ডের পর দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। সরকারকে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনার পর দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। সরকারকে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা বলেছেন, এই ঘটনার তদন্ত সত্যায়িত হওয়া উচিত। এই ঘটনার পর দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।
হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হাদির হত্যাকাণ্ডের পর দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। সরকারকে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত



