ওসমান হাদির মৃত্যুর পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেছেন, ওসমান হাদির আত্মত্যাগের স্বীকৃতি দরকার, কিন্তু তার জন্য দেশে আগুন লাগানো যাবে না।
ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া অরাজকতার কারণে সামনের নির্বাচনের প্রার্থীরা আতঙ্কে আছেন বলে ববি হাজ্জাজ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ওসমান হাদি নির্বাচনের জন্য কাজ করছিলেন এবং নির্বাচনে নতুন প্রার্থী আসতে পারে, বাংলাদেশের জনগণ নতুন গণতন্ত্রের সূর্যের আলো দেখতে পারে, সেই কারণে নিরলস হাদি কাজ করছিলেন।
ওসমান হাদি ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনে রিকশায় করে যাওয়ার সময় আক্রমণের শিকার হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়, পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিন দিন চিকিৎসার পর তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
ওসমান হাদির মৃত্যুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংশয় জাগল কিনা, এমন প্রশ্নে ববি হাজ্জাজ বলেছেন, হাদির মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনা খুব কম হতে পারে। কিন্তু এরপর যে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে এবং সরকার পদে পদে যে ব্যর্থতা দেখাচ্ছে, তাতে আসলেই কিন্তু সন্দিহান।
ওসমান হাদির মৃত্যুর পর তার কফিন সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার দাফন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবির সমাধিসৌধে অনুষ্ঠিত হয়।
ওসমান হাদির মৃত্যুর পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে গড়ে উঠবে, তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। ববি হাজ্জাজের মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, ওসমান হাদির মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে।



