লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) থেকে প্রেসিডিয়াম সদস্য চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সারওয়ার্দীকে দলের সব পদ থেকে সাময়িকভাবে বহিস্কার করা হলো।
সারওয়ার্দী ২০২৩ সালের অক্টোবরে এলডিপিতে যোগ দেন। তিনি বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ‘উপদেষ্টা’ পরিচয় দিয়ে মার্কিন নাগরিক মিঞা জাহিদুল ইসলাম আরেফীর সাথে বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন। এ ঘটনার মামলায় সারওয়ার্দীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এলডিপি বলছে, সারওয়ার্দী ফেসবুকে বিএনপি সম্পর্কে ‘বিভ্রান্তিকর’ একটি পোস্ট দিয়েছেন, যা এলডিপির কোনো সিদ্ধান্ত বা পর্যবেক্ষণ নয়। এলডিপি সভাপতি অলি আহমেদসহ দলের নেতারা এ বিষয়ে সচেতন।
সারওয়ার্দীকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হবে না তা আগামী তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এলডিপি জানিয়েছে, সারওয়ার্দীর বক্তব্য ‘দুঃখজনক’ এবং ‘দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি’।
সারওয়ার্দী সেনাবাহিনীতে থাকাকালে জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজের কমান্ডেন্ট, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডক্ট্রাইন কমান্ডের (এআরটিডিওসি) জিওসি, নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক গোয়েন্দা পরিদফতরের পরিচালকসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এলডিপির এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকে আগ্রহী। এলডিপি থেকে সারওয়ার্দীর বহিষ্কার কীভাবে দলের জনপ্রিয়তাকে প্রভাবিত করবে তা নিয়েও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহী।
এলডিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সারওয়ার্দীকে আগামী তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলতে হবে। এরপর এলডিপি তার স্থায়ী বহিষ্কার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকে অপেক্ষায় রয়েছে। এলডিপির সিদ্ধান্ত কীভাবে দেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করবে তা নিয়েও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহী।
এলডিপির এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন মোড় নিয়ে আসতে পারে। এর পর কীভাবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি গড়িয়ে ওঠে তা দেখার জন্য সবাই অপেক্ষায় রয়েছে।
এই ঘটনার পর এলডিপির ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়েও অনেকে আগ্রহী। এলডিপি কীভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে তা দেখার জন্য সবাই অপেক্ষায় রয়েছে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকে আগ্রহী। এলডিপির সিদ্ধান্ত কীভাবে দেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করবে তা নিয়েও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহী।
এই ঘটনার পর এলডিপির ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়েও অনেকে আগ্রহী। এলডিপি কীভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে তা দেখার জন্য সবাই অপেক্ষায় রয়েছে।
এলডিপির এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক দৃশ্য



