চট্টগ্রামের হাথাজারি উপজেলায় জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) প্রধান আনিসুল ইসলাম মাহমুদের পৈতৃক বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় বাড়িটি ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সময় বাড়িতে কেউ ছিল না, তাই কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, হামলাকারীরা বাড়ির আঙ্গিনায় কিছু রান্নার কাজ করছিল। এমন সময় প্রায় ৪০ জন অজ্ঞাত যুবক গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে এসে বাড়িতে হামলা চালায়। তারা প্রায় ১৫ মিনিট ধরে বাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং তারপর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসের সাহায্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। পুলিশ পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ দায়ের করার পরামর্শ দিয়েছে।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। এনডিএফ প্রধানের পরিবার এই ঘটনায় মর্মাহত এবং ন্যায়বিচার চাইছে।
এই ঘটনার পর হাথাজারি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।
এনডিএফ প্রধানের পরিবার এই ঘটনায় সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাইছে। তারা আশা করছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত করবে এবং হামলাকারীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাইছে।
পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। এনডিএফ প্রধানের পরিবার এই ঘটনায় মর্মাহত এবং ন্যায়বিচার চাইছে।
এই ঘটনার পর হাথাজারি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।
এনডিএফ প্রধানের পরিবার এই ঘটনায় সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাইছে। তারা আশা করছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত করবে এবং হামলাকারীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাইছে।
পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। এনডিএফ প্রধানের পরিবার এই ঘটনায় মর্মাহত এবং ন্যায়বিচার চাইছে।
এই ঘটনার পর হাথাজারি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।
এনডিএফ প্রধানের পরিবার এই ঘটনায় সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাইছে। তারা আশা করছে যে সরকার এই ঘটনার তদন্ত করবে এবং হামলাকারীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাইছে।
পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ



