সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক লিগ টি-টোয়েন্টিতে দুবাই ক্যাপিটালস ও শারজা ওয়ারিয়রস মুখোমুখি হয়েছিল। এই ম্যাচটি বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে ‘বাংলা পেস লড়াই’ হিসেবে দেখা হয়েছিল, কারণ তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান একে অপরের বিপক্ষে খেলেছিলেন।
দুবাই ক্যাপিটালস টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ১৮০ রান তোলে। শারজা ওয়ারিয়রস লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭ ওভারে অলআউট হয় ১১৭ রানে। মোস্তাফিজুর রহমান দ্বিতীয় ওভারে বোলিং করে ৮ রান দিয়ে ওপেনার জনসন চার্লসকে ফেরান।
তাসকিন আহমেদ তার দ্বিতীয় ওভারে ৯ রানে জর্ডান কক্সের উইকেট পান। ডেথ ওভারে তাসকিনকে রাজা ফেরান। তাসকিন ১৮তম ওভারে ৭ রানে সেদিকুল্লাহ আতালকে ফিরিয়ে তার প্রতিদানও দেন। ইনিংসের শেষ ওভারে ১২ রানে শানাকার উইকেট পান তাসকিন। দুবাই ক্যাপিটালসের ইনিংসে ৪৪ বলে ৬৬ রান করা সেদিকুল্লাহ আতাল সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন।
শারজা ওয়ারিয়রসের ইনিংসে ফিফটি নেই। জেমস রিউ ৪৭ রান করেন এবং রাজা ২১ রান করেন। মোস্তাফিজুর রহমান এখন পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টিতে যৌথভাবে দ্বিতীয় শীর্ষ উইকেটশিকারি। ৬ ইনিংসে ১৫.৬৩ গড় ও ৮.১৯ ইকোনমি রেটে তিনি ১১ উইকেট নিয়েছেন।
দুবাই ক্যাপিটালসের বাঁহাতি আফগান কবজির স্পিনার ওয়াকার সালামখিল ৭ ইনিংসে ১৩.৭৩ গড় ও ৭.৪৯ ইকোনমি রেটে ১৫ উইকেট নিয়ে শীর্ষে। তাসকিন আহমেদ ৩ ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়েছেন। মরুভূমির ক্রিকেট-রাতে তাসকিন-মোস্তাফিজ দুজনেই করেছেন নিজেদের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার।
দুবাই ক্যাপিটালস ও শারজা ওয়ারিয়রসের মধ্যে এই ম্যাচটি ছিল একটি উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই। দুবাই ক্যাপিটালস তাদের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ দিয়ে শারজা ওয়ারিয়রসকে হারিয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ দুজনেই তাদের দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
এই ম্যাচের ফলে দুবাই ক্যাপিটালস তাদের প্রতিযোগিতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জন করেছে। শারজা ওয়ারিয়রস তাদের পরবর্তী ম্যাচে আরও ভালো পারফরম্যান্স দেখানোর চেষ্টা করবে। এই প্রতিযোগিতায় আরও অনেক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।



