বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের স্ত্রী সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৩ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন। জোহরা তাজউদ্দীন ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন। মৃত্যুকালে দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন তিনি।
জোহরা তাজউদ্দীন ১৯৩২ সালের ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেছিলেন। ১৯৫৯ সালে তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে বিয়ে হলে স্বামীর রাজনৈতিক জীবনের সহযোদ্ধায় পরিণত হন জোহরা তাজউদ্দীন।
জোহরা তাজউদ্দীন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সহসভাপতি। বেগম সুফিয়া কামালের সঙ্গে নারী মুক্তি আন্দোলনেও রেখেছেন অগ্রণী ভূমিকা। জোহরা তাজউদ্দীন আফ্রো-এশীয় গণসংহতি পরিষদেরও সহসভাপতি ছিলেন।
জোহরা তাজউদ্দীনের চার ছেলে-মেয়ের মধ্যে সিমিন হোসেন তৎকালীন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী। ছেলে তানজিম আহমদ সোহেল তাজ ছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
জোহরা তাজউদ্দীনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ মানুষ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। তাঁর রাজনৈতিক অবদান ও মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য তাঁকে স্মরণ করা হচ্ছে।
জোহরা তাজউদ্দীনের মৃত্যুবার্ষিকী পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করা হচ্ছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ও অবদান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি অনন্য স্থান দখল করে আছে।
জোহরা তাজউদ্দীনের মৃত্যুবার্ষিকী পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। তাঁর রাজনৈতিক অবদান ও মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য তাঁকে স্মরণ করা হচ্ছে।
জোহরা তাজউদ্দীনের মৃত্যুবার্ষিকী পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করা হচ্ছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ও অবদান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি অনন্য স্থান দখল করে আছে।



