সিরিয়ায় মার্কিন সৈন্যদের উপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে মার্কিন বাহিনী ৭০টিরও বেশি ইসলামিক স্টেট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলাকে ‘খুবই গুরুতর প্রতিশোধ’ বলে অভিহিত করেছেন।
গত সপ্তাহে সিরিয়ার পালমিরায় একটি হামলায় তিনজন মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছিল। এর প্রতিশোধ হিসেবে মার্কিন বাহিনী এই হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মার্কিন বাহিনী সিরিয়ার বিভিন্ন স্থানে ফাইটার জেট, আক্রমণাত্মক হেলিকপ্টার এবং কামানের সাহায্যে ৭০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী এই হামলার মাধ্যমে ইসলামিক স্টেটকে শক্তিশালী প্রতিশোধ দিচ্ছে। তিনি বলেছেন, যারা মার্কিন নাগরিকদের উপর হামলা চালায়, তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।
সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সিরিয়া ইসলামিক স্টেটকে পরাজিত করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সিরিয়া সরকার জানিয়েছে, তারা ইসলামিক স্টেটকে সিরিয়ার মধ্যে কোনো নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার অনুমতি দেবে না।
সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর হামলার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন বাহিনীর এই হামলা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মার্কিন বাহিনীর হামলার ঘটনাটি সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেও প্রভাবিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সিরিয়ার সরকার এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে আলোচনার প্রক্রিয়াটি এই হামলার কারণে বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
মার্কিন বাহিনীর হামলার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। মার্কিন বাহিনীর এই হামলা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর হামলার ঘটনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হয়ে উঠেছে। এই হামলার ঘটনাটি সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর হামলার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন বাহিনীর এই হামলা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর হামলার ঘটনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হয়ে উঠেছে। এই হামলার ঘটনাটি সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।



