সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর উপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে মার্কিন সেনাবাহিনী ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে একটি বড় আক্রমণ চালিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, এই আক্রমণের লক্ষ্য ছিল ইসলামিক স্টেটের সশস্ত্র গোষ্ঠী, অবকাঠামো এবং অস্ত্রাগারগুলিকে ধ্বংস করা।
মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই আক্রমণে মার্কিন যুদ্ধবিমান, আক্রমণাত্মক হেলিকপ্টার এবং কামানগুলি সিরিয়ার বিভিন্ন স্থানে আক্রমণ করেছে। জর্ডানের বিমানগুলিও এই আক্রমণে অংশগ্রহণ করেছে।
গত সপ্তাহে, সিরিয়ার পালমিরা শহরে ইসলামিক স্টেটের একটি আক্রমণে দুইজন মার্কিন সেনা এবং একজন মার্কিন বেসামরিক অনুবাদক নিহত হয়েছিল। এরপর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছিলেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এই আক্রমণের লক্ষ্য ছিল ইসলামিক স্টেটের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে ধ্বংস করা। তিনি বলেছেন, মার্কিন সেনাবাহিনী তার লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
সিরিয়ার মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান রামি আবদেল রহমান জানিয়েছেন, মার্কিন আক্রমণে ইসলামিক স্টেটের একজন উচ্চপদস্থ নেতা এবং অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য নিহত হয়েছে। তিনি বলেছেন, এই আক্রমণে ইসলামিক স্টেটের অনেক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।
ইসলামিক স্টেট এখনও এই আক্রমণের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা এই আক্রমণের বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই প্রকাশ করবে।
এই আক্রমণের পর, সিরিয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা সিরিয়ায় তার লক্ষ্য অর্জন করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেবে।
সিরিয়ায় মার্কিন সেনাবাহিনীর এই আক্রমণ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন, এই আক্রমণ সিরিয়ায় আরও সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর এই আক্রমণ সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে। অনেকে বলছেন, সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন।
সিরিয়ায় মার্কিন সেনাবাহিনীর এই আক্রমণ বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। অনেকে এই আক্রমণের পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন রয়েছে।



