গাজা থেকে পালিয়ে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি গোপন রপ্তানি প্রক্রিয়া চলছে। একটি শেল কোম্পানি ইজরায়েলের সাথে সম্পর্কিত, যা ফিলিস্তিনিদেরকে বড় অঙ্কের অর্থ দিতে বাধ্য করে গাজা থেকে গোপনে পালিয়ে যেতে।
গত মাসে, ১৫৩ জন ফিলিস্তিনি গাজা থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার ওআর তাম্বো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল। কিন্তু তাদের পাসপোর্টে ইজরায়েল থেকে প্রস্থানের স্ট্যাম্প না থাকায় তাদের প্রথমে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা পরে তাদের প্রবেশের অনুমতি দেন। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে তারা ফিলিস্তিনিদের স্বেচ্ছায় গাজা ছেড়ে যাওয়ার সমর্থন করে।
গত মার্চ মাসে, ইজরায়েলের নিরাপত্তা ক্যাবিনেট একটি বিতর্কিত ব্যুরো গঠন করেছে যাতে ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে স্বেচ্ছায় চলে যেতে উত্সাহিত করা যায়।
এই ব্যুরোটির প্রধান হলেন প্রাক্তন ডেপুটি ডিরেক্টর ইয়াকোভ ব্লিটস্টাইন। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ বলেছেন যে ৪০ শতাংশ গাজার বাসিন্দা চলে যেতে আগ্রহী।
একটি শেল কোম্পানি আল-মাজদ ইউরোপ গত মাসে তাদের অনলাইন উপস্থিতি তৈরি করেছে। তারা দাবি করেছে যে তারা গাজার ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ প্রচেষ্টার কাজ করছে।
কিন্তু পরে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে এই দাবি মিথ্যা।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সমস্যা একটি জটিল সমস্যা যার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সমস্যা সমাধানের জন্য সহযোগিতা প্রয়োজন।



