এনাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের একজন অধ্যাপককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। অধ্যাপক ডা. তাজিন আফরোজ শাহ মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে এই বরখাস্ত করা হয়েছে।
এনাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মোতাহার হোসেন ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এই আদেশ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে। অধ্যাপক ডা. তাজিন আফরোজ শাহকে কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
একই সঙ্গে, কেন তার বিরুদ্ধে স্থায়ী বরখাস্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এনাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা অধ্যাপক ডা. তাজিন আফরোজ শাহর বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেবে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে এটা নিশ্চিত যে এই ঘটনাটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশকে প্রভাবিত করবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের আচরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা ছাত্রদের জন্য ভালো উদাহরণ হওয়া উচিত। অধ্যাপক ডা. তাজিন আফরোজ শাহর এই ঘটনাটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি সতর্কতা। তারা শিক্ষকদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেবে।
শিক্ষার্থীরা এই ঘটনাটি থেকে শিক্ষা নিতে পারে। তারা বুঝতে পারবে যে শিক্ষকদের আচরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা শিক্ষকদের কাছ থেকে শিক্ষা নেবে এবং তাদের আচরণ অনুসরণ করবে। এই ঘটনাটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি সুযোগ। তারা এই ঘটনাটি থেকে শিক্ষা নিতে পারে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আরও ভালো করতে পারে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন হলো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের আচরণ কীভাবে উন্নত করা যায়? শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কীভাবে শিক্ষকদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে পারে? শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কীভাবে শিক্ষকদের আচরণের উপর ভিত্তি করে ব্যবস্থা নিতে পারে?



