জামায়াতে ইসলামী আমীর শফিকুর রহমান বলেছেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং জনগণের কণ্ঠস্বর প্রকাশের প্রধান মঞ্চ।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমে হামলা গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের ওপর আক্রমণ।
ঢাকায় দৈনিক স্টার ও প্রথম আলোর অফিসে সহিংস হামলার পরদিন তিনি এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেন।
জামায়াত নেতা শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ছাত্র ও জনগণের মধ্যে যে ক্ষোভ ও আবেগ জাগ্রত হয়েছে তা ন্যায়সঙ্গত ও বোধগম্য।
কিন্তু কোনো দল এই ক্ষোভকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইলে তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না।
জামায়াত আমীর বলেন, কোনো ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হওয়া উচিত।
শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে এসে উদাহরণমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশের এই সমালোচনামূলক সময়ে সংযম, দায়িত্ববোধ ও জাতীয় ঐক্যই একমাত্র পথ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে যে গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া শহীদদের ত্যাগ সঠিকভাবে সম্মানিত হবে না।
জামায়াত আমীর দেশপ্রেমিক ছাত্র, জনগণ ও নাগরিকদেরকে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে সতর্কতা, সচেতনতা ও দায়িত্ববোধের সাথে আহ্বান জানান।
এদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এক পৃথক বিবৃতিতে দৈনিক স্টার ও প্রথম আলোর অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নিন্দা জানায়।
তারা বলে, যে কোনো পরিস্থিতিতেই গণমাধ্যমে অগ্নিসংযোগ করা অগ্রহণযোগ্য।



