মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিশ্চিত করেছে। তিনি নিজেই তার লিঙ্কডইন অ্যাকাউন্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পদটি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে খালি ছিল। পূর্ব রাষ্ট্রদূত পিটার হাস গত বছরের জুন মাসে পদত্যাগ করেছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা এবং তিনি কাউন্সেলর পদমর্যাদায় রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সিনেটের শুনানির পরে তার নিয়োগ চূড়ান্ত হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন রাষ্ট্রদূত সম্ভবত আগামী বছরের জানুয়ারিতে ঢাকায় আসবেন। পিটার হাসের পদত্যাগের পর থেকে হেলেন লাফাভরে এবং মেগান বৌলডিন যথাক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ দেশটির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই নিয়োগ বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নিয়োগ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য কাজ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ দেশটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। এই নিয়োগ বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন দেশটির সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য কাজ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ দেশটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। এই নিয়োগ বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন দেশটির সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য কাজ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।



