সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৩ ডিসেম্বর সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় ৬ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হন। এছাড়াও ৯ জন আহত হন। আহতরা কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মৃত শান্তিরক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন নাটোরের করপোরাল মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম ও সৈনিক শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর সৈনিক শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার বাসিন্দা লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদানের জন্য জাতিসংঘসহ বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারা স্থানীয় জনগণের কল্যাণ, পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মৃত্যু বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ক্ষতি। বাংলাদেশ সরকার এবং সেনাবাহিনী শান্তিরক্ষীদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা চালিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীদের মৃত্যু বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ক্ষতি। বাংলাদেশ সরকার এবং সেনাবাহিনী শান্তিরক্ষীদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা চালিয়ে যাবে। তারা স্থানীয় জনগণের কল্যাণ, পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীদের মৃত্যু বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ক্ষতি। বাংলাদেশ সরকার এবং সেনাবাহিনী শান্তিরক্ষীদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়।



