ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও দক্ষিণ আমেরিকার মেরকোসুর ব্লকের মধ্যে একটি বড় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বিলম্বিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃষকদের বিক্ষোভ ও ফ্রান্স ও ইতালির শেষ মুহূর্তের বিরোধিতার কারণে এই চুক্তি স্বাক্ষর বিলম্বিত হয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান মুখপাত্র পাউলা পিনহো বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মেরকোসুর ব্লকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর জানুয়ারিতে সম্পন্ন হবে। এই চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সভাপতি উরসুলা ফন ডের লায়েন ব্রাজিল সফরে যাওয়ার কথা ছিল।
মেরকোসুর ব্লকের দেশগুলোর সাথে এই চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় চুক্তি হবে। এই চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মেরকোসুর ব্লকের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু ফ্রান্স ও ইতালির কৃষকরা এই চুক্তির বিরোধিতা করছে, কারণ তারা ভয় পাচ্ছে যে এই চুক্তির ফলে তাদের কৃষি পণ্যের দাম কমে যাবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সভাপতি উরসুলা ফন ডের লায়েন, ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি অ্যান্টোনিও কোস্টা ও ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি একটি চুক্তিতে পৌঁছেছেন, যার ফলে ইতালি জানুয়ারিতে চুক্তি স্বাক্ষরের পক্ষে ভোট দেবে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, তিনি ইতালি, পোল্যান্ড, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া ও আয়ারল্যান্ডের সাথে আলোচনা করেছেন, যাতে চুক্তি স্বাক্ষর বিলম্বিত হয়। তিনি বলেছেন, কৃষকরা ইতিমধ্যেই অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
এই চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মেরকোসুর ব্লকের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা তৈরি হবে। এই চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন লাতিন আমেরিকায় আরও বেশি গাড়ি, যন্ত্রপাতি, ওয়াইন ও মদ রফতানি করতে পারবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মেরকোসুর ব্লকের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে উভয় পক্ষের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মেরকোসুর ব্লকের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে, যা উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
তবে, এই চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ফ্রান্স ও ইতালির কৃষকরা এই চুক্তির বিরোধিতা করছে, কারণ তারা ভয় পাচ্ছে যে এই চুক্তির ফলে তাদের কৃষি পণ্যের দাম কমে যাবে। তবে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মেরকোসুর ব্লকের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে উভয় পক্ষের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
অতএব, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মেরকোসুর ব্লকের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য উভয় পক্ষকে আরও আলোচনা করতে হবে। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে উভয় পক্ষের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, তবে এই চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য উভয় পক্ষকে আরও সহযোগিতা করতে হবে।



