ইনকিলাব মঞ্চ সম্প্রতি এক বিবৃতিতে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকলের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে। এই আহ্বানের পেছনে রয়েছে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ।
ইনকিলাব মঞ্চের মতে, ওসমান হাদিকে হত্যা করা একটি গুরুতর ঘটনা যা দেশের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা বলেছে যে, ভাঙচুর ও আগুন–সন্ত্রাসের মাধ্যমে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাচ্ছে।
ইনকিলাব মঞ্চ জানিয়েছে যে, আসন্ন ফেব্রুয়ারি মাসের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারলে কারা লাভবান হবে, সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন হতে হবে। তারা বলেছে যে, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি আশ্রয়স্থল বা নিয়ন্ত্রণহীন রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মতে, দেশের এই লড়াই দীর্ঘমেয়াদি এবং তা কোনোভাবেই স্বল্প সময়ে অর্জন করা সম্ভব নয়। তাই সহিংস পথ পরিহার করে শান্তিপূর্ণ ও সংগঠিতভাবে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চ দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা সবাইকে সহিংসতা এড়িয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ করেছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি তার রাজনৈতিক ও আন্দোলনের পুরো সময়ে জনগণকে সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তির পরিচয় তুলে ধরেছিলেন এবং সেগুলো মোকাবিলার পথও দেখিয়েছিলেন নিয়মতান্ত্রিক ও সচেতন আন্দোলনের মাধ্যমে।
এই পরিস্থিতিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বান দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সকলের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
ইনকিলাব মঞ্চের এই আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সকল রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকে একত্রিত হতে হবে।
এই পরিস্থিতিতে সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারকে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সকল রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের জনগণকে সচেতন হতে হবে। তাদের দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সকলের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বান দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সকলের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।



