ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন তিনি। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কোনো কিছু ধ্বংস করে হাদি ভাইকে ধারণ করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের পথ ধ্বংসের নয়, পুনর্গঠনের। সবাই শান্ত থাকুন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন।
ওসমান হাদির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ উপলক্ষে শনিবার সারাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার মৃত্যুর পর দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একটি বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একজন অন্যতম নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুর পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একটি শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর দেশের রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তার মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় নিয়ে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।



