ইংল্যান্ডের স্কুলগুলোতে ছেলেদের মিসোজিনি দূর করার জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছেলেরা নারীদের প্রতি সম্মান ও বোঝাপড়া অর্জন করবে। এছাড়াও, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ছাত্রদের আচরণগত কোর্সে পাঠানো হবে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুলগুলোতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে যাতে তারা মিসোজিনি চিহ্নিত করতে পারে এবং তা দূর করতে পারে। এই প্রকল্পের জন্য ২০ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একটি নতুন হেল্পলাইন চালু করা হবে যাতে কিশোর-কিশোরীরা তাদের সমস্যা নিয়ে যোগাযোগ করতে পারে।
এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংসতা কমানো। প্রধানমন্ত্রী স্যার কেইর স্টারমার বলেছেন, তারা এই সমস্যাটির মূল কারণ চিহ্নিত করতে চায় এবং তা দূর করতে চায়। তিনি বলেছেন, ছেলেদের ইতিবাচক ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গি দেখানো প্রয়োজন।
সাফগার্ডিং মন্ত্রী জেস ফিলিপস বলেছেন, নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংসতা একটি জাতীয় জরুরি বিষয়। তিনি বলেছেন, তারা এই সমস্যাটি দূর করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
কনজারভেটিভ নেতা কেমি বাডেনচ বলেছেন, এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র লেবার পার্টির কিছু সদস্যের পক্ষে চালু করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, এই প্রকল্পটি খুব কম লোকের জন্য উপকারী হবে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের স্কুলগুলোতে ছেলেদের মিসোজিনি দূর করার জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংসতা কমানো। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুলগুলোতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে যাতে তারা মিসোজিনি চিহ্নিত করতে পারে এবং তা দূর করতে পারে।
এই প্রকল্পের জন্য ২০ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একটি নতুন হেল্পলাইন চালু করা হবে যাতে কিশোর-কিশোরীরা তাদের সমস্যা নিয়ে যোগাযোগ করতে পারে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের স্কুলগুলোতে ছেলেদের মিসোজিনি দূর করার জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।



