গত দশকে অনেক ফিনটেক কোম্পানি মার্কিন ব্যবসায় অর্থ ব্যবস্থাপনার উপায়কে পরিবর্তন করেছে। কিন্তু এই আর্থিক উদ্ভাবনের ঢেউয়ের মধ্যে একটি বড় অংশ অলস থেকে গেছে: নন-প্রফিট সংস্থাগুলো। গিভফ্রন্ট, একটি স্টার্টআপ, এই পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে চায়। এটি নন-প্রফিট সংস্থাগুলোর জন্য একটি আর্থিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে।
গিভফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাতা, ম্যাট টেংট্রাকুল এবং এইডান সানবারি, উভয়ই ২১ বছর বয়সী। তারা হারভার্ড এবং ইউসি বার্কলি থেকে পড়াশোনা করছিলেন। তারা একটি নন-প্রফিট সংস্থার জন্য একটি আর্থিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার ধারণা নিয়ে এসেছেন। তাদের লক্ষ্য হল নন-প্রফিট সংস্থাগুলোকে আরও ভালোভাবে তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা করতে সাহায্য করা।
নন-প্রফিট সংস্থাগুলো মার্কিন অর্থনীতিতে একটি বড় অংশ গঠন করে। তারা প্রতি বছর ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি অবদান রাখে। কিন্তু তাদের অনেকেই এখনও পুরানো আর্থিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে। গিভফ্রন্ট বিশ্বাস করে যে আধুনিক ব্যয় ব্যবস্থাপনা, সম্মতি এবং প্রতিবেদন অবকাঠামো নন-প্রফিট সংস্থাগুলোর জন্য উল্লেখযোগ্য দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারে।
ম্যাট টেংট্রাকুল একটি মাইক্রোলোন এগ্রিগেশন স্টার্টআপ পরীক্ষা করেছিলেন। তিনি হারভার্ডে কম্পিউটার সায়েন্স এবং পরিসংখ্যান অধ্যয়ন করার সময় বেশ কয়েকটি নন-প্রফিট সংস্থার ভিতরে কাজ করেছিলেন। তিনি একটি নন-প্রফিট সংস্থায় দান বাড়িয়ে ৫০০,০০০ ডলারের বেশি করেছিলেন। এই অভিজ্ঞতাগুলো তাকে বুঝতে সাহায্য করেছে যে নন-প্রফিট সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি স্পষ্ট ফাঁক রয়েছে। তাদের কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিবেদনের প্রয়োজন রয়েছে, কিন্তু তাদের কাছে আধুনিক ব্যবসায় যে সরঞ্জামগুলো রয়েছে তা নেই।
গিভফ্রন্ট ২ মিলিয়ন ডলার তুলে নিয়েছে। এই অর্থ তাদের প্ল্যাটফর্ম বিকাশে সাহায্য করবে। তারা নন-প্রফিট সংস্থাগুলোকে আরও ভালোভাবে তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা করতে সাহায্য করতে চায়। এটি নন-প্রফিট সেক্টরে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে।
নন-প্রফিট সংস্থাগুলো তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য গিভফ্রন্টের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারে। এটি তাদের আরও দক্ষতার সাথে তাদের কাজ করতে সাহায্য করবে। গিভফ্রন্টের প্ল্যাটফর্ম নন-প্রফিট সংস্থাগুলোকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করতে পারে।
গিভফ্রন্টের প্ল্যাটফর্ম নন-প্রফিট সেক্টরে একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। এটি নন-প্রফিট সংস্থাগুলোকে আরও ভালোভাবে তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা করতে সাহায্য করবে। এটি তাদের আরও দক্ষতার সাথে তাদের কাজ করতে সাহায্য করবে। গিভফ্রন্টের প্ল্যাটফর্ম নন-প্রফিট সংস্থাগুলোকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করতে পারে।
গিভফ্রন্টের প্ল্যাটফর্ম নন-প্রফিট সংস্থাগুলোর জন্য একটি উপযোগী হাতিয়ার হতে পারে। এটি তাদের আরও ভালোভাবে তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা করতে সাহায্য করবে। এটি তাদের আরও দক্ষতার সাথে তাদের কাজ করতে সাহায্য করবে। গিভফ্রন্টের প্ল্যাট



