ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরে তার পরিবার ও প্রতিবেশীরা শোকাহত। তারা এই ঘটনার বিচার দাবি করছেন।
ওসমান হাদি জুলাই অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া একজন ব্যক্তিত্ব। তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
গত শুক্রবার গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে তিনি আক্রান্ত হন। চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী। গুলিটি লাগে হাদির মাথায়।
গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সোমবার দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই বৃহস্পতিবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
হাদির মৃত্যুর খবর পেয়ে তার পরিবার ও প্রতিবেশীরা শোকাহত। তারা এই ঘটনার বিচার দাবি করছেন। হাদির পরিবারের অনেকেই ঢাকায় চলে এসেছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ হাদির বাড়িতে ছুটে এসেছেন।
হাদির এক প্রতিবেশী বলেন, ‘হাদির মৃত্যুর খবরে এখানে সবাই শোকাহত। কথা বলার ভাষা নেই। এমন প্রতিবাদী কণ্ঠ নলছিটির গর্ব। এ ঘটনার বিচার না হলে ভবিষ্যতে আর কোনো হাদি জন্ম নেবে না। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সবাইকে জুলাই অভ্যুত্থানের মত ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
আরেক প্রতিবেশী বলেন, ‘হাদি দ্বীনের কথা বলতে গিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। তার পরিবার খুব ভাল। এই বাংলার জমিনে হত্যাকারীদের অবশ্যই বিচার হতে হবে। এটাই আমাদের চাওয়া।’
হাদির মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে যে তারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।
হাদির মৃত্যুর ঘটনায় দেশব্যাপী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই হাদির মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তারা এই ঘটনার বিচার দাবি করছেন।
হাদির মৃত্যুর ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। আদালতে মামলা করা হবে। হাদির পরিবার ও প্রতিবেশীরা এই ঘটনার বিচার দাবি করছেন।



