ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ দেশের নেতারা বৃহস্পতিবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে বৈঠকে বসেছেন। এই বৈঠকের উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার জব্দকৃত সম্পদ থেকে ইউক্রেনকে ঋণ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী বার্ট ডে ভেভার বলেছেন, তিনি এই প্রস্তাবে আপত্তি জানাচ্ছেন। তার মতে, এই ঋণ দেওয়ার ফলে বেলজিয়ামের আর্থিক স্থিতিশীলতা ক্ষুন্ন হতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার আক্রমণকে তাদের নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখে। তাই তারা ইউক্রেনকে অর্থায়ন করতে এবং যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়। এটি করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২২ সালে জব্দ করা রাশিয়ার কিছু সম্পদকে কাজে লাগানোর লক্ষ্য রাখছে।
ইউক্রেনকে ঋণ দেওয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সামনে দুটি পথ খোলা আছে। এর একটি হলো, ইউরোপে ফ্রিজ বা জব্দ করা রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদ ঋণ হিসেবে ইউক্রেনকে দেওয়া। ইউক্রেন এই ঋণ তখনই ফেরত দেবে, যখন রাশিয়া তাদের আগ্রাসনের ফলে হওয়া ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হবে।
বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী বার্ট ডে ভেভার বলেছেন, তিনি সমঝোতার জন্য আলোচনা করতে রাজি। কিন্তু আর্থিক স্থিতিশীলতার বিষয়ে নমনীয়তা দেখাবেন না। এই বৈঠকের সিদ্ধান্তের ওপর রাশিয়ার সম্পদ ব্যবহারের বিষয়টি অনেকটা নির্ভর করছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ইউক্রেনকে সাহায্য করার জন্য সমঝোতা করতে চায়। কিন্তু বেলজিয়ামের আপত্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হচ্ছে না। এই বৈঠকের ফলাফল ইউক্রেনের ভবিষ্যত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত। এই বৈঠকের ফলাফল এই সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য সমঝোতা করতে চায়। কিন্তু বেলজিয়ামের আপত্তির কারণে এই সমঝোতা করা সহজ হচ্ছে না।
এই বৈঠকের ফলাফল ইউক্রেনের ভবিষ্যত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য সমঝোতা করতে চায়। কিন্তু বেলজিয়ামের আপত্তির কারণে এই সমঝোতা করা সহজ হচ্ছে না।



